‘ছিটমহল’র মতো অবরুদ্ধ মানবেতর জীবনযাপন – বর্ণমালা টেলিভিশন

প্রভাবশালীর অবৈধ দখলে জিম্মি দোনারচরবাসী

‘ছিটমহল’র মতো অবরুদ্ধ মানবেতর জীবনযাপন

প্রচলিত আইন ও মানবাধিকার কোনোটাই মানা হচ্ছে না * সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজ রাস্তা বন্ধ করায় ৩৫ বছর ধরে ৩শ একর জমি অনাবাদি। সারা বছর নদীপথে চলছে কয়েক হাজার মানুষ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২২ | ৭:৩৭ 126 ভিউ
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গোমতী নদী দখল করে নির্মিত দেওয়াল। দোনারচর থেকে তোলা -- ডোনেট বাংলাদেশ
কুমিল্লার দাউদকান্দির সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজ মালিকের দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে দোনারচরের কয়েকশ পরিবার। অবৈধ দখলদাররা এতটাই প্রভাবশালী যে, ৩৫ বছর ধরে স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরাও যেন তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যেই চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে দখলদাররা। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে নদীপথে চলাচল করছেন। এতে এলাকার কৃষক যে শস্যপণ্য উৎপন্ন করে যোগাযোগের অভাবে তা বাজারমূল্য পাচ্ছে না। এমনকি যোগাযোগের অভাবে শিল্প-কারখানাও গড়ে উঠছে না। স্থানীয়দের কাছ থেকে কম দামে জমি কিনে নেওয়ার উদ্দেশ্যে মূলত এ রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে-এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এ ব্যাপারে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ায় দোনারচর গ্রামবাসীর প্রায় ৩শ একর জমি পতিত (অনাবাদি) হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি অন্য প্রতিষ্ঠান বিদেশি বিনিয়োগের জন্য এমওইউ (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং বা সমঝোতা স্মারক) সম্পন্ন করেও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারছেন না। জিম্মি দোনারচর এলাকাবাসীকে রংপুরের অধুনালুপ্ত ছিটমহলবাসীর সঙ্গে তুলনা করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘দোনারচরবাসীর ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও মানবাধিকার কোনোটাই মানা হয়নি। এতে ওই এলাকার কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। আটকে পড়া এলাকাবাসী বর্ষা মৌসুমে ‘ছিটমহল’র মতো সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছে।’ ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দাউদকান্দির তৎকালীন ইউএনও কামরুল ইসলাম খান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেন। গত অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের বিভিন্ন সময়ে কুমিল্লার দাউদকান্দির দোনারচর এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে উল্লিখিত চিত্র। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলাপ করে সত্যতা মিলেছে এসব অপকর্মের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনে সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের বিরুদ্ধে ৬টি অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এতে দেখা গেছে, সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের মালিক মতিউর রহমান চৌধুরী ও লুৎফুর রহমান চৌধুরী দুই ভাই। ২০২০ সালের ৩১ মে দোনারচরের ভুক্তভোগী মানুষের পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান সরকার কুমিল্লার ডিসির কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের পাশে প্রায় ৩ একর জমির মালিক তিনি। ১৯৮০ সালে এই জমি কেনার সময় গোমতী নদীর পূর্বপাশ ঘেঁষে চলাচলের রাস্তা ছিল। পরবর্তীকালে নদী ভরাট করে দখলদার মুজিবুর রহমান চৌধুরী ও মতিউর রহমান চৌধুরী সরকারি জমিতে পাকা স্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে নদীর পাড়ের রাস্তা বন্ধ করেন। ফলে নোয়ারচর মৌজার দোলারচরবাসী মহাবিপদে পড়ে। এ নিয়ে দাউদকান্দি সরকারিভাবে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নিলে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরকারী মতিউর রহমান ও লুৎফুর রহমান বারবার বাধা দেন। রাস্তা বন্ধ করে ভূসম্পত্তি নামমাত্র দামে বিক্রি করতে ভুক্তভোগীদের বাধ্য করে। সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের মালিক লুৎফুর রহমান এমনভাবে দেয়াল তৈরি করেন সেখানে সাধারণ মানুষ হেঁটে বা নৌকায় করেও জমিতে যেতে পারছে না। জমি চাষ ও কৃষি উপকরণ বহন করতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়ে এলাকার মানুষ। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দাউদকান্দি উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খান বিষয়টি তদন্ত করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলা হয়, সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজ ১নং খাস খতিয়ানের গোমতী নদীর কিছু অংশ অবৈধভাবে দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এমনকি সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের কোনো ইটিপি (ইফফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বা বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা) না থাকায় সব রকম শিল্পবর্জ্য সরাসরি গোমতী নদীর পানিকে দূষিত করছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রাথমিক পদক্ষেপ অনুযায়ী ২০২০ সালের ২২ জুলাই স্থানীয় সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দিয়ে উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ করেন। তখন অভিযুক্ত মতিউর রহমান চৌধুরীকে সেখানে কোনোরকম স্থাপনা তৈরি না করতে বলা হয়। কিন্তু ওই নির্দেশনা আমলে না নিয়ে মতিউর রহমান রাস্তাটি বন্ধ করে স্থায়ীভাবে লোহার গেট নির্মাণ করেন। রাস্তা বন্ধ করে মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন কেন জানতে চাইলে সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের মালিক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমি কোনো রাস্তা বন্ধ করিনি। চলস্বত্ব অনুযায়ী যেটুকু রাস্তা দেওয়ার কথা তা বিদ্যমান আছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন. ‘ব্যক্তিগত জমিতে পৌরসভা রাস্তা নির্মাণ করার উদ্যোগ নিলে আমি সেটা বাস্তবায়ন করতে দেব কেন? এখানে আমার কোল্ডস্টোরেজের পাশাপাশি সয়াবিন তেলের কারখানাও আছে।’ আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নদীর জমি দখল করিনি, বরং নদীতে এখনো আমি ২০ ফুট জমি পাই। সেই জমির খাজনা দিই।’ সত্যতা পেয়েছেন ইউএনও : এলাকাবাসী শিল্পায়নের লক্ষ্যে জমি দেওয়ার পাশাপাশি জনসাধারণের চলাচলের জন্য রাস্তাটি উন্মুক্ত রাখার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামবাসী ও কোল্ডস্টোরেজ মালিকের মধ্যে চলস্বত্ব চুক্তি রেজিস্ট্রেশন করা হয়। ওই চুক্তিতে কোল্ডস্টোরেজের মালিক জনসাধারণের চলাচলের জন্য রাস্তাটি উন্মুক্ত রাখার অঙ্গীকার করেন। কোল্ডস্টোরেজের ও তার উত্তরাধিকাররা ভবিষ্যতে দোনারচরবাসীর চলস্বত্বের অধিকার খর্ব করতে পারবে না। এমনকি কোনো আদালতের দারস্থ হতে পারবে না মর্মে উল্লেখ রয়েছে। ২০০০ সালে গ্রামবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চুক্তিতে বর্ণিত রাস্তাটি পাকা করার জন্য দাউদকান্দি পৌরসভা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কার্যাদেশ দেয়। অথচ সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের বাধা এবং মামলার কারণে গত ২০ বছরেও পৌরসভা রাস্তাটির কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। ১৯৮৬ সালের ১৩ নভেম্বর ৫১৫০নং রেজিস্ট্রিকৃত চলস্বত্ব চুক্তি অনুযায়ী রাস্তা উন্মুক্ত রাখার পক্ষে থাকলেও শুধু সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজ এককভাবে জনসাধারণের চলাচলে বাধা প্রদান করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজ ১নং খাস খতিয়ানের গোমতী নদীর কিছু অংশ অবৈধভাবে দখল করে পাকা স্থাপনা গড়ে তুলেছেন। প্রতিবেদনের সুপারিশ : ইউএনওর প্রতিবেদনের পাঁচ দফা সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ‘৩০০ একর জমি চাষাবাদের প্রয়োজনে কৃষকের চলাচলের জন্য অবৈধভাবে বন্ধ রাখা রাস্তাটি খুলে দেওয়া প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কৃষিবান্ধব সরকারের যাবতীয় পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় খাদ্য নিরাপত্তাসহ কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে রাস্তাটি উন্মুক্ত রাখার আদেশ দেওয়া যেতে পারে। দাউদকান্দি পৌরসভা ২০০০ সালে রাস্তাটি পাকা করার উদ্যোগ নেয়। এ বিষয়ে কোনো আইনি জটিলতা না থাকলে পুনরায় রাস্তাটি পাকা করার জন্য দাউদকান্দি পৌরসভাকে বলা যেতে পারে। সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজ অবৈধভাবে নদী শ্রেণির খাস জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছে। তাই স্থাপনা উচ্ছেদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাউদকান্দির সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বলা যেতে পারে। স্থায়ী গেট নির্মাণের বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেটের মৌখিক আদেশ অমান্য করার বিষয়ে অভিযুক্ত মতিউর রহমান চৌধুরী, পরিচালক, সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজকে লিখিতভাবে সতর্ক করারও সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে। এই তদন্ত প্রতিবেদন বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন জানতে চাইলে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মঙ্গলবার বলেন, ‘আমার আগের জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দাউদকান্দির দোনারচরে রাস্তা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একটি তদন্ত সম্পন্ন হয়। আমি বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় দেখব। তবে এই মুহূর্তে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর দেখব।’ এদিকে সরেজমিন দেখা গেছে, দোনারচর যেতে দাউদকান্দি টোলপ্লাজা অতিক্রম করে ডান দিক দিয়ে দক্ষিণ সতালন্দি কাঁচারাস্তা দিয়ে প্রথমে ব্র্যাক কোল্ডস্টোরেজের সামনে উপস্থিত হতে হয়। সেখান থেকে নৌকায় গোমতী নদী দিয়ে যেতে হয় দোনারচরে। গত ১ ডিসেম্বর দেখা গেছে, গোমতী নদীতে বর্ষার পানি অনেক শুকিয়ে গেছে। এরপরও দোনারচরের মানুষ নৌকায় করেই আসা-যাওয়া করছেন। কারণ সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজ নদীর পাড়ের পুরোটাই দখলে নিয়ে স্থায়ী উঁচু প্রাচীর নির্মাণ করে দাঁড়িয়ে আছে। যে কারণে নদী শুকিয়ে গেলেও মানুষ নদীর পাড় দিয়েও আসা যাওয়া করতে পারে না। সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের সামনে নৌকা থেকে নেমে প্রাচীরের ভেতরে তাকাতেই দেখা যায় নদীর পাড় দখল করে কোল্ডস্টোরেজের চাতাল বানানো হয়েছে। দোনারচরের বাসিন্দা একরাম মিয়া চরের জমিতে খিড়া তুলছেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। প্রকাশ্যে রাস্তা বন্ধ করে আছে প্রভাবশালীরা অথচ কেউ কোনো কথা বলে না। এমনকি শুকনো মৌসুমে নদীর পাড় দিয়ে আসা-যাওয়া করব তারও উপায় নেই। অবস্থা এমন যে, এ দেশের জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, আইনকানুন সবই যেন সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের মালিকদের পক্ষে। এমন নৈরাজ্যের মধ্যে আছি তারপরও আমাদের কথা কেউ বলে না।’ তিনি বলেন, ‘ইউএনও স্যার একবার দেখলাম বিষয়টি নিয়ে বড়লোকদের (সিদ্দিক কোল্ডস্টোরেজের মালিকপক্ষ) সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরপরও কোনো কাজ হয়েছে মনে হয় না। আমরা তো আগের মতোই নদী দিয়ে যাওয়া-আসা করছি।’ পাশেই ছিলেন আরেক গ্রামবাসী মর্জিনা। তিনি বলেন, ‘সারা বছর যে কীভাবে আমরা চলাচল করছি তার প্রত্যক্ষদর্শী একমাত্র আমরাই। জনপ্রতিনিধি বলেন, আর সরকারি বড় কর্মকর্তা বলেন, কেউই আমাদের খবর নেয় না। আল্লাহ ছাড়া আমাদের কোনো গতি নেই।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:



































শীর্ষ সংবাদ:
বেনাপোল সীমান্তে সচল পিস্তলসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার নির্মাণসামগ্রীর দাম চড়া, উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি কলম্বোতে কারফিউ জারি টিকে থাকার লড়াইয়ে ছক্কা হাকাতে পারবেন ইমরান খান? করোনায় আজও মৃত্যুশূন্য দেশ, শনাক্ত কমেছে ‘ততক্ষণ খেলব যতক্ষণ না আমার চেয়ে ভালো কাউকে দেখব’ এবার ইয়েমেনে পাল্টা হামলা চালাল সৌদি জোট স্বাধীনতা দিবসের র‌্যালিতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র রপ্তানি করেছে মোদি সরকার বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দেওয়া নিয়ে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, এলাকা রণক্ষেত্র ইউক্রেনকে বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও মেশিনগান দিয়েছে জার্মানি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে নারীকে ধর্ষণ, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩ ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাবের ‘লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বজুড়ে আনবে একতা‘-শীর্ষক সভা বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁর নওহাঁটায় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন । ভূরুঙ্গামারীতে ব্যাপরোয়া অটোরিকশা কেরে নিল শিশুর ফাহিম এর প্রাণ ভূরুঙ্গামারী কিশোর গ‍্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ৬ তম রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন বেনাপোলে পৃথক অভিযানে ৫২ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক-২ বেনাপোল স্থলপথে স্টুডেন্ট ভিসায় বাংলাদেশিদের ভারত ভ্রমন নিষেধ গেরিলা যোদ্ধা অপূর্ব