ঢাকা, Monday 18 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

চাল ও পেঁয়াজের দাম কমলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি

প্রকাশিত : 08:53 AM, 20 March 2021 Saturday
68 বার পঠিত

রাছেল রানা | বগুডা

নিত্যপণ্যের বাজারে চাল ও পেঁয়াজের দাম কমলেও আগের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব জাতের মুরগি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল। আটা, ডাল ও ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। পবিত্র শবে-ই- বরাতের আগে বেড়ে যাচ্ছে চিনি, দুধ এবং গরুর মাংসের দাম। শীতকালীন সবজির সরবরাহ কমে আসায় বাড়ছে দাম। আদা ও রসুনের দাম কমেছে। এছাড়া দেশীয় জাতের মাছের দাম বাড়তির দিকে রয়েছে। খুচরা বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় টিসিবির ট্রাকসেলে ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, ফার্মগেট কাঁচা বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট ও মিরপুর-১ সিটি কর্পোরেশন মার্কেট থেকে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব

তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া সরকারী বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ঢাকা মহানগরীর খুচরা বাজার বাজারদর থেকে বেশ কয়েকটি নিত্যপণের দাম বাড়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের চাল কেজিতে ১-২ টাকা পর্যন্ত দাম কমে প্রতিকেজি সরু নাজিরশাইল ও মিনিকেট জাত ও মানভেদে ৬০-৬৮, মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা ৫০-৫৮ এবং মোটা স্বর্ণা ও চায়না ইরি ৪৪-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। এছাড়া কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমে প্রতিকেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রতিকেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজও ৩৫-৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপণ্যের বাজারে।

তবে বাজারে আগের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব জাতের মুরগি। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।

এর পাশাপাশি পাকিস্তানি লেয়ার খ্যাত লাল জাতের মুরগি প্রতিকেজি ৩০০-৩২০ এবং এই জাতের মাঝারি সাইজের প্রতিপিস ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশী মুরগি সাইজভেদে ৩৫০-৪০০, বড় জাতের কক ২২০-২৩০ দামে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর খুচরা বাজারে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল। সয়াবিন তেল লুজ প্রতিলিটার ১২০-১৩০, সয়াবির তেল বোতল পাঁচলিটার ৬২০-৬৫০, সয়াবিন তেল বোতল একলিটার ১৩৫-১৪০, পামওয়েল লুজ প্রতিলিটার ১০৭-১১০ এবং পামওয়েল সুপার ১১০-১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুদি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে দাম

না কমায় ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে গেছে। কাওরান বাজারের মুদি ব্যবসায়ী জাকির হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, সামনে শবে-ই বরাত ও রোজা। এ মুহূর্তে বাজারে তেলের চাহিদা বেশি। এ কারণে দাম কমাতে হলে সরবরাহ বাড়ানো প্রয়োজন। ওই বাজারে নিত্যপণ্যের কেনাকাটা করছিলেন তেজকুনি পাড়ার বাসিন্দা কালাম হোসেন। তিনি জানান, চাল ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলেও বেড়ে যাচ্ছে সবজির দাম। মুরগির গায়ে হাত দেয়াই যায় না। প্রতিপিস ৩০০-৪০০ টাকা। তিনি বলেন, সব ধরনের মাংসের দাম বাড়তি। যে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হতো ১১০-১২০ টাকায় তা এখন ১৬০-১৬৫ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এদিকে, দাম কমে প্রতিকেজি রসুন ৫০-১২০ এবং আদা ৬০-১২০ টাকায়

বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। তবে শবে-ই বরাতের আগেই বেড়ে গেছে গরুর মাংস, চিনি ও তরল দুধের দাম। বাজারে এখন প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেশি। কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। এছাড়া দেশী জাতের মাছও বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে।

তরল দুধের সুপরিচিত ব্র্যান্ড মিল্ক ভিটা লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়েছে তরল দুধের দাম। নতুন দাম লিটারপ্রতি ৭৫ টাকা। এছাড়া সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। শীতের সবজির সরবরাহ কম থাকাই দাম বাড়ার কারণ বলে

জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি করলা ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, লতি ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, সজনে ২০০ থেকে ২২০ টাকা, গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা এবং প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT