গণতন্ত্রকামী সব দলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ॥ ফখরুল - বর্ণমালা টেলিভিশন

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্কট এখন আর তাঁর একার নয়; সমগ্র জাতির বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে আন্দোলনে পরাজিত করে সুচিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে হবে। শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফখরুল বলেন, দেশের এখন যে অবস্থা তাতে খালেদা জিয়াই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে পারেন, দেশকে রক্ষা করতে পারেন। তাই আমি আশা করব, গণতন্ত্রকামী সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ছোটখাটো বিভেদ ভুলে গিয়ে দেশের স্বার্থে এগিয়ে আসতে হবে।

কোথায় ডান-বাম এসব দেখার দরকার নেই। জনগণকে উঠে দাঁড়ানোর কথা বলতে হবে, তাদের রাজপথে টেনে নিয়ে এসে আমাদের সোচ্চার কণ্ঠে দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে, খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, র‌্যাবের গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদসহ সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপ দেশে মানবাধিকার লংঘনের পরিণতি। কি লজ্জা আমাদের যে, আমাদের পুলিশ প্রধান, আমাদের র‌্যাব প্রধান-তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা দেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কারণ, তারা মানবাধিকার লংঘন করেছে, বেআইনীভাবে মানুষকে হত্যা করছে, গুম করছে। এর জবাব জনগণকে দিতেই হবে। যারা মানবাধিকার লংঘন করে, যারা মানুষের অধিকারকে কেড়ে নেয়,

যারা জনগণকে হত্যা করে তাদের পরিণতি এমনই হয়। আমরা এখন দেখতে চাই, জানতে চাই; সরকার এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নাকি তারা আগের মতোই চলবে।

ফখরুল বলেন, আমরা এতদিন ধরে যে কথাগুলো বলে আসছি- মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছে, আমরা বলছি যে এই সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে, পুলিশকে ব্যবহার করছে, প্রশাসনকে ব্যবহার করছে, কীভাবে মানুষ হত্যা করছে নির্মমভাবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এটা আজ প্রমাণিত। যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রের যে সম্মেলন হয়েছে সেই সম্মেলনে বাংলাদেশকে ডাকা হয়নি। এই সরকার বাংলাদেশকে লজ্জার মধ্যে ফেলেছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে রাখা উচিত- তাঁরা হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

লন্ডন প্রবাসী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একজন শিশু

মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া হচ্ছেন সেই নেতা, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার পর থেকে খালেদা জিয়ার ভূমিকাও একজন মুক্তিযোদ্ধার। তিনি তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী ছিলেন। আর তখন শিশু তারেক রহমানও খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে ছিলেন। তাই তারেক রহমানও শিশু মুক্তিযোদ্ধা।

ফখরুল বলেন, আমরা একথা জানি- কারা অর্থ পাচার করছে দেশের বাইরে। কারা হাজার কোটি টাকা দিয়ে কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি তৈরি করেছে, মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম তৈরি করেছে। তবে তাদের পরিণতি একদিন এমন হবে যে, এই সম্পদ তারা ভোগ করতে পারবে না। তবে আমরা চাই সরকার এই সম্পদগুলো এখনই বাজেয়াফত করবে।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের

সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের জন্য লজ্জার- ড. মোশাররফ ॥ দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের সবার জন্য লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শনিবার দুপুরে কৃষক দলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি

এ মন্তব্য করেন।

ড. মোশাররফ বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা যখন স্বাধীনতার ৫০বছর পালন করছি, তখন বাংলাদেশ একটি অগণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হলো। বাংলাদেশের একটি সংস্থা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত হলো, কিছু কর্মকর্তা যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন পদে আছেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো, এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক।

ড. মোশাররফ বলেন, একটি মামলার রায়ের পর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল। একটি প্রশাসনিক অর্ডারে সাময়িকভাবে সাজা স্থগিত করায় তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসকরা একত্রে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, তার যে চিকিৎসা সেটা বাংলাদেশে নেই। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে কোন রকমের ভ্রুক্ষেপ

করছে না। তারা বলছে এটা আইনের বিষয়। আসলে এটা আইনের বিষয় নয়, বাধা হচ্ছে সরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সিনিয়র সহসভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহসভাপতি গৌতম চক্রবর্তী, মামুনুর রশীদ খান, যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী টিএস আইউব, মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্কট এখন আর তাঁর একার নয়; সমগ্র জাতির বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে আন্দোলনে পরাজিত করে সুচিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে হবে। শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফখরুল বলেন, দেশের এখন যে অবস্থা তাতে খালেদা জিয়াই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে পারেন, দেশকে রক্ষা করতে পারেন। তাই আমি আশা করব, গণতন্ত্রকামী সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ছোটখাটো বিভেদ ভুলে গিয়ে দেশের স্বার্থে এগিয়ে আসতে হবে।

কোথায় ডান-বাম এসব দেখার দরকার নেই। জনগণকে উঠে দাঁড়ানোর কথা বলতে হবে, তাদের রাজপথে টেনে নিয়ে এসে আমাদের সোচ্চার কণ্ঠে দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে, খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, র‌্যাবের গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদসহ সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপ দেশে মানবাধিকার লংঘনের পরিণতি। কি লজ্জা আমাদের যে, আমাদের পুলিশ প্রধান, আমাদের র‌্যাব প্রধান-তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা দেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কারণ, তারা মানবাধিকার লংঘন করেছে, বেআইনীভাবে মানুষকে হত্যা করছে, গুম করছে। এর জবাব জনগণকে দিতেই হবে। যারা মানবাধিকার লংঘন করে, যারা মানুষের অধিকারকে কেড়ে নেয়,

যারা জনগণকে হত্যা করে তাদের পরিণতি এমনই হয়। আমরা এখন দেখতে চাই, জানতে চাই; সরকার এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নাকি তারা আগের মতোই চলবে।

ফখরুল বলেন, আমরা এতদিন ধরে যে কথাগুলো বলে আসছি- মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছে, আমরা বলছি যে এই সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে, পুলিশকে ব্যবহার করছে, প্রশাসনকে ব্যবহার করছে, কীভাবে মানুষ হত্যা করছে নির্মমভাবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এটা আজ প্রমাণিত। যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রের যে সম্মেলন হয়েছে সেই সম্মেলনে বাংলাদেশকে ডাকা হয়নি। এই সরকার বাংলাদেশকে লজ্জার মধ্যে ফেলেছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে রাখা উচিত- তাঁরা হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

লন্ডন প্রবাসী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একজন শিশু

মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া হচ্ছেন সেই নেতা, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার পর থেকে খালেদা জিয়ার ভূমিকাও একজন মুক্তিযোদ্ধার। তিনি তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী ছিলেন। আর তখন শিশু তারেক রহমানও খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে ছিলেন। তাই তারেক রহমানও শিশু মুক্তিযোদ্ধা।

ফখরুল বলেন, আমরা একথা জানি- কারা অর্থ পাচার করছে দেশের বাইরে। কারা হাজার কোটি টাকা দিয়ে কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি তৈরি করেছে, মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম তৈরি করেছে। তবে তাদের পরিণতি একদিন এমন হবে যে, এই সম্পদ তারা ভোগ করতে পারবে না। তবে আমরা চাই সরকার এই সম্পদগুলো এখনই বাজেয়াফত করবে।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের

সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের জন্য লজ্জার- ড. মোশাররফ ॥ দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের সবার জন্য লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শনিবার দুপুরে কৃষক দলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি

এ মন্তব্য করেন।

ড. মোশাররফ বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা যখন স্বাধীনতার ৫০বছর পালন করছি, তখন বাংলাদেশ একটি অগণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হলো। বাংলাদেশের একটি সংস্থা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত হলো, কিছু কর্মকর্তা যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন পদে আছেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো, এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক।

ড. মোশাররফ বলেন, একটি মামলার রায়ের পর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল। একটি প্রশাসনিক অর্ডারে সাময়িকভাবে সাজা স্থগিত করায় তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসকরা একত্রে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, তার যে চিকিৎসা সেটা বাংলাদেশে নেই। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে কোন রকমের ভ্রুক্ষেপ

করছে না। তারা বলছে এটা আইনের বিষয়। আসলে এটা আইনের বিষয় নয়, বাধা হচ্ছে সরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সিনিয়র সহসভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহসভাপতি গৌতম চক্রবর্তী, মামুনুর রশীদ খান, যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী টিএস আইউব, মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।

গণতন্ত্রকামী সব দলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ॥ ফখরুল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৮:০৬ 107 ভিউ
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্কট এখন আর তাঁর একার নয়; সমগ্র জাতির বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে আন্দোলনে পরাজিত করে সুচিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে হবে। শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফখরুল বলেন, দেশের এখন যে অবস্থা তাতে খালেদা জিয়াই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে পারেন, দেশকে রক্ষা করতে পারেন। তাই আমি আশা করব, গণতন্ত্রকামী সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ছোটখাটো বিভেদ ভুলে গিয়ে দেশের স্বার্থে এগিয়ে আসতে হবে।

কোথায় ডান-বাম এসব দেখার দরকার নেই। জনগণকে উঠে দাঁড়ানোর কথা বলতে হবে, তাদের রাজপথে টেনে নিয়ে এসে আমাদের সোচ্চার কণ্ঠে দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে, খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, র‌্যাবের গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদসহ সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপ দেশে মানবাধিকার লংঘনের পরিণতি। কি লজ্জা আমাদের যে, আমাদের পুলিশ প্রধান, আমাদের র‌্যাব প্রধান-তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা দেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কারণ, তারা মানবাধিকার লংঘন করেছে, বেআইনীভাবে মানুষকে হত্যা করছে, গুম করছে। এর জবাব জনগণকে দিতেই হবে। যারা মানবাধিকার লংঘন করে, যারা মানুষের অধিকারকে কেড়ে

নেয়, যারা জনগণকে হত্যা করে তাদের পরিণতি এমনই হয়। আমরা এখন দেখতে চাই, জানতে চাই; সরকার এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নাকি তারা আগের মতোই চলবে। ফখরুল বলেন, আমরা এতদিন ধরে যে কথাগুলো বলে আসছি- মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছে, আমরা বলছি যে এই সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে, পুলিশকে ব্যবহার করছে, প্রশাসনকে ব্যবহার করছে, কীভাবে মানুষ হত্যা করছে নির্মমভাবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এটা আজ প্রমাণিত। যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রের যে সম্মেলন হয়েছে সেই সম্মেলনে বাংলাদেশকে ডাকা হয়নি। এই সরকার বাংলাদেশকে লজ্জার মধ্যে ফেলেছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে রাখা উচিত- তাঁরা হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী। লন্ডন প্রবাসী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একজন

শিশু মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া হচ্ছেন সেই নেতা, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার পর থেকে খালেদা জিয়ার ভূমিকাও একজন মুক্তিযোদ্ধার। তিনি তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী ছিলেন। আর তখন শিশু তারেক রহমানও খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে ছিলেন। তাই তারেক রহমানও শিশু মুক্তিযোদ্ধা। ফখরুল বলেন, আমরা একথা জানি- কারা অর্থ পাচার করছে দেশের বাইরে। কারা হাজার কোটি টাকা দিয়ে কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি তৈরি করেছে, মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম তৈরি করেছে। তবে তাদের পরিণতি একদিন এমন হবে যে, এই সম্পদ তারা ভোগ করতে পারবে না। তবে আমরা চাই সরকার এই সম্পদগুলো এখনই বাজেয়াফত করবে। আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান

ফরহাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের জন্য লজ্জার- ড. মোশাররফ ॥ দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের সবার জন্য লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শনিবার দুপুরে কৃষক দলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে

তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. মোশাররফ বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা যখন স্বাধীনতার ৫০বছর পালন করছি, তখন বাংলাদেশ একটি অগণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হলো। বাংলাদেশের একটি সংস্থা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত হলো, কিছু কর্মকর্তা যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন পদে আছেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো, এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ড. মোশাররফ বলেন, একটি মামলার রায়ের পর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল। একটি প্রশাসনিক অর্ডারে সাময়িকভাবে সাজা স্থগিত করায় তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসকরা একত্রে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, তার যে চিকিৎসা সেটা বাংলাদেশে নেই। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে কোন রকমের

ভ্রুক্ষেপ করছে না। তারা বলছে এটা আইনের বিষয়। আসলে এটা আইনের বিষয় নয়, বাধা হচ্ছে সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সিনিয়র সহসভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহসভাপতি গৌতম চক্রবর্তী, মামুনুর রশীদ খান, যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী টিএস আইউব, মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ