কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু - বর্ণমালা টেলিভিশন

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর মানসিক নিপীড়নে ড. সেলিমের মৃত্যু হয়েছে। কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ এ শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। অন্যদিকে কুয়েট ছাত্রলীগ খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, সেলিম স্যারের মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও একটি কুচক্রী মহল ঘটনাটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।

ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যু নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে-আমরা মনে করি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ রহস্য উদ্ঘাটন করা উচিত। উল্লেখ্য, ৩০

নভেম্বর ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে জড়িতদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অব্যাহত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ হল বন্ধ হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তাদের অনেকটা সময় নষ্ট হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সবে ছাত্রছাত্রীরা পড়ালেখায় মনোযোগী হয়েছেন, এ সময় এ ধরনের পরিস্থিতি তাদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক এবং আর্থিক ও মানসিক পীড়ার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

এদিকে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,

ড. মো. সেলিম হোসেনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। সিসিটিভির ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা প্রতীয়মান হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির আলোকে অসদাচরণের আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। আমরা আশা করব, এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অবসান হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী হয়ে থাকলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাকে বা তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে, এটাই কাম্য।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর মানসিক নিপীড়নে ড. সেলিমের মৃত্যু হয়েছে। কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ এ শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। অন্যদিকে কুয়েট ছাত্রলীগ খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, সেলিম স্যারের মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও একটি কুচক্রী মহল ঘটনাটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।

ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যু নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে-আমরা মনে করি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ রহস্য উদ্ঘাটন করা উচিত। উল্লেখ্য, ৩০

নভেম্বর ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে জড়িতদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অব্যাহত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ হল বন্ধ হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তাদের অনেকটা সময় নষ্ট হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সবে ছাত্রছাত্রীরা পড়ালেখায় মনোযোগী হয়েছেন, এ সময় এ ধরনের পরিস্থিতি তাদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক এবং আর্থিক ও মানসিক পীড়ার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

এদিকে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,

ড. মো. সেলিম হোসেনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। সিসিটিভির ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা প্রতীয়মান হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির আলোকে অসদাচরণের আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। আমরা আশা করব, এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অবসান হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী হয়ে থাকলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাকে বা তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে, এটাই কাম্য।

কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু

সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার কাম্য

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৯:৫৩ 83 ভিউ
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর মানসিক নিপীড়নে ড. সেলিমের মৃত্যু হয়েছে। কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ এ শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। অন্যদিকে কুয়েট ছাত্রলীগ খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, সেলিম স্যারের মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও একটি কুচক্রী মহল ঘটনাটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যু নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে-আমরা মনে করি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ রহস্য উদ্ঘাটন করা উচিত। উল্লেখ্য, ৩০

নভেম্বর ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে জড়িতদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অব্যাহত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ হল বন্ধ হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তাদের অনেকটা সময় নষ্ট হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সবে ছাত্রছাত্রীরা পড়ালেখায় মনোযোগী হয়েছেন, এ সময় এ ধরনের পরিস্থিতি তাদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক এবং আর্থিক ও মানসিক পীড়ার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এদিকে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,

ড. মো. সেলিম হোসেনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। সিসিটিভির ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা প্রতীয়মান হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির আলোকে অসদাচরণের আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। আমরা আশা করব, এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অবসান হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী হয়ে থাকলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাকে বা তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে, এটাই কাম্য।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ