ঢাকা, Thursday 23 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

কুয়াশায় যান চলাচলে সতর্কবার্তা থাকলেও শাস্তির বিধান নেই

প্রকাশিত : 08:48 AM, 6 January 2021 Wednesday
60 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

মাত্র পাঁচদিন আগে মায়ের কোল আলো করে আসে শিশু। নতুন অতিথির আগমনে পরিবারে আনন্দের শেষ ছিল না। পরিকল্পনা ছিল, নবজাতককে হাসপাতাল থেকে বাড়ি এনে মহা ধুমধামে হবে অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানেই শিশুটির নাম ঠিক করা হবে। তাইতো পরিবারের নিকটাত্মীরা সবাই মিলে হাসপাতাল থেকে শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু আর ফেরা হলো না। পথিমধ্যেই ঘাতক বাস কেড়ে নিল নবজাতকসহ একই পরিবারের ছয়জনের প্রাণ। নাম রাখার আগেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হলো নিষ্পাপ শিশুটিকে।

গত সপ্তাহে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়। মা ও শিশু সুস্থ হবার পর বাড়ি ফিরে উৎসব করে সন্তানের আকিকা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু

সে আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। এখন সেই বাড়িতে চলছে মাতম। স্বজনহারা মানুষের আর্তনাদে ভারি হয়ে উঠেছে আকাশ বাতাস। কাঁদছেন পাড়া প্রতিবেশীও।

রবিবার নেত্রকোনা থেকে শাহজালাল পরিবহনের একটি বাস ময়মনসিংহ হয়ে ঢাকা আসছিল। পথে নবজাতক নিয়ে ফেরা অটোরিক্সাটিকে চাপা দেয় বাসটি। ময়মনসিংহের তারাকান্দা এলাকার গাছতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের চেচুয়ালেন্দি গ্রামে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যে সড়কে দুর্ঘটনা হয়েছে সেখানে কোন রোড ডিভাইডার নেই। ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনা পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার দুই লেনের সড়কে রোড ডিভাইডার ছাড়াই যানবাহন চলছে যুগের পর যুগ। বাড়ছে দুর্ঘটনা। তেমনি এই সড়কে নিষিদ্ধ যানবাহন চলাচলের যেন উৎসব। এসব

যান চলাচল বন্ধে আদালতের নির্দেশনার খবর কেউ রাখে না। তেমনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিআরটিএ কর্তৃপক্ষও এ ব্যাপারে উদাসীন।

শীত মৌসুমে দুর্ঘটনা বাড়ে। এটা সত্যি। বিশেষজ্ঞসহ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি সবাই এ ব্যাপারে একমত। শীতে দুর্ঘটনা এড়াতে চারদফা সতর্কবার্তা জারি করেছে বিআরটিএ। অথচ এসব সতর্কবার্তা অমান্য করা হলে কোন শাস্তির বিধান নেই। তাছাড়া এই নির্দেশনা সড়ক পরিবহন আইনে যুক্ত করা হয়নি। সেইসঙ্গে সতর্কবার্তা প্রতিপালনে মাঠ পর্যায়ে কোন নির্দেশনা নেই। অর্থাৎ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেই দায় এড়ালো রাষ্ট্রীয় এই পরিবহন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব রুটে ঘনকুয়াশা থাকবে সেখানে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। সেইসঙ্গে মেনে চলতে হবে শীতকালীন সব রকমের

নির্দেশনা। সকল সড়ক-মহাসড়কে স্বল্পগতির নিষিদ্ধ যানবাহন বন্ধের পাশাপাশি রোড ডিভাইডার স্থাপন করতে হবে।

শীতের সময় রোড ডিভাইডার সংলগ্ন মার্কিং কালার না থাকা, অনেক সড়কে ডিভাইডার না থাকাসহ সড়ক মহাসড়কে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না নেয়াসহ তিন কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এসব বিষয় নিশ্চিত করা না গেলে নাম না রাখা নবজাতকের মতো বহু শিশুসহ মানুষের মৃত্যুর মিছিল বন্ধ করা কঠিন হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো আইনের প্রতি তোয়াক্কা নেই পরিবহন সংশ্লিষ্ট কারও। ফলে সড়ক নিরাপদ করা সম্ভব হচ্ছে না।

রবিবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন,

সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ বছরের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বৈঠক করেছি। প্রায়োরিটি, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসা। বিশ্বব্যাংকও একটা ফান্ড আমাদের দিচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, শৃঙ্খলা না থাকলে উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে।

কুয়াশায় ফেরি বন্ধ হলেও যান চলাচল বন্ধ হয় না ॥ এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, ঘনকুয়াশার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলেও কখনোই যান চলাচল বন্ধ করা হয় না। অথচ ফেরির তুলনায় সড়কে যান চলাচল আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলেও মনে করেন তিনি।

প্রতিবছরই কুয়াশার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ে উল্লেখ করে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, এ

বিষয়ে তেমন কোন গবেষণা না থাকায় সঠিক পরিসংখ্যান অজানা থেকে যায়। তিনি বলেন, কুয়াশার কারণে রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় অনেক ক্ষেত্রে সামনের গাড়ি দেখা বা এর দূরত্ব আঁচ করা যায় না। যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া বাংলাদেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চালকরা গাড়ি চালানোর নির্দেশনা পুরোপুরি মেনে চলেন না। কুয়াশায় দুর্ঘটনার এটাও একটা কারণ বলে মনে করেন তিনি।

হতাশা থেকে অসতর্ক চালকরা ॥ দেখা যায় যে- দুটি লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হবে কিন্তু ড্রাইভার হয়ত একটি লাইট জ্বালিয়েই গাড়ি চালান। আইআরআই গবেষণার অংশ হিসেবে বিভিন্ন চালকের সঙ্গে সাক্ষাতকারের মাধ্যমে জানা গেছে, কুয়াশায় গাড়ি অল্প গতিতে চালানোর নিয়ম থাকলেও

যাত্রী বেশি পাওয়ার লোভে কিংবা যাত্রীদের চাপ থাকার কারণে অনেক সময় তাদের গাড়ির গতি কমানো হয় না। যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে।

এছাড়া বাংলাদেশে মালবাহী যানবাহন রাত এবং সকালের একটি নির্দিষ্ট সময়ে শহরাঞ্চলে প্রবেশ ও বের হওয়ার নিয়ম থাকার কারণেও অনেক সময় চালকরা গতি কমিয়ে গাড়ি চালাতে আগ্রহী হয় না। মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, গাড়ি চালনাকে যারা পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন, বেশিরভাগ সময়েই তাদের মধ্যে জীবন নিয়ে হতাশাবোধ থাকে। যার কারণে তারা অনেক সময় সাবধানতা এড়িয়ে যান। দুর্ঘটনার এটিও একটি কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

কুয়াশার সতর্কবার্তা কেউ মানে না ॥ প্রতিবছরের মতো এবারের শীতেও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে

চালকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। গণমাধ্যমে ইতোমধ্যে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে শুরু করে চালকদের অনেকেই এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। ঢাকা থেকে দূরপাল্লার বিভিন্ন পরিবহন চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সতর্ক বার্তার বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি।

এসব নিয়ম কানুনের মধ্যে রয়েছে ॥ কুয়াশায় দৃষ্টিসীমার মধ্যে থামানো যায় এমন ধীরগতিতে সব সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে রাস্তায় গাড়ি চালাতে হবে। ফগ লাইট এবং পার্কিং লাইট জ্বালিয়ে রাখতে হবে।

লেন পরিবর্তন বা ওভারটেকিং করা যাবে না। কারণ পেছনের গাড়ি ঘনকুয়াশায়

সামনের গাড়িকে নাও দেখতে পারে। হাই বিম কুয়াশাকে আরও বেশি ঘন করে বিধায় হাই বিমে গাড়ি চালানো যাবে না। সব সময় লো-বিমে গাড়ি চালাতে হবে।

রাব্বানী বলেন, মূলত গাড়ি চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এসব নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে এগুলো না মানলে কোন ব্যবস্থা নেয়ার বিধান নেই। তবে অনুমোদনহীন লেন পরিবর্তন বা ওভারটেকিং বেআইনী হওয়ায় এটি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে রাস্তার সংখ্যা কম থাকায় এবং একই গন্তব্যের বিকল্প রাস্তা না থাকার কারণে কুয়াশা হবে জেনেও সেগুলোতে যান চলাচল বন্ধ করা যায় না বলে উল্লেখ করেন বিআরটিএর কর্মকর্তা শেখ মাহবুব-ই-রাব্বানী।

তিনি

বলেন, আমাদের দেশে তো এখনও রাস্তা-ঘাটই হয়নি। কী বন্ধ করবেন? ঢাকা-থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার কি বিকল্প কোন রাস্তা আছে ? তাহলে এটা তো বন্ধ করা যাবে না।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, বাংলাদেশে কুয়াশার ধরণ একেক সময় একেক রকম হয়ে থাকে। কখনও ঘনকুয়াশা, আবার কখনও হাল্কা কুয়াশা দেখা যায়। এ কারণে ব্যবস্থা নেয়াটাও কঠিন হয়ে পড়ে।

কুয়াশা যেহেতু একটি নির্দিষ্ট মৌসুমে হয় তাই সবার আগে আবহাওয়া কুয়াশার বিষয়ে পরিসংখ্যানের মাধ্যমে তথ্য নিতে হবে। তবে দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলতে হলে অতিরিক্ত ঘনকুয়াশা কোন রাস্তায় দেখা গেলে সেটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের সময়ে কুয়াশা যখন

বেশি থাকে তখন রাস্তায় যান চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখাটা জরুরী।

তিন কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনা ॥ যাত্রী অধিকার আদায়ে নিয়োজিত সংগঠন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, শীতে মূলত তিন কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ে। এরমধ্যে একটি হলো ঘনকুয়াশার কারণে রোড ডিভাইডার দেখা যায় না। অন্যান্য দেশে দেখা যায় শীত মৌসুমে রোড ডিভাইডারের পাশে রাস্তা মার্কিং করা হয়। ফলে অনেক সময় চালকরা তা দেখতে পান। আবার মার্কিংয়ের পাশে পানির ড্রাম রেখে দেয়া হয়। ফলে চালকরা সতর্ক হয়ে চলার চেষ্টা করেন। অন্য কারণ হলো রোড ডিভাইডার না থাকা। যেসব সড়কে কোন ডিভাইডার নেই সেখানে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাড়ছে।

তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ জরুরী বলেও মনে করেন তিনি।

অপর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন গণপরিবহন বন্ধ ছিল। এরপর সীমিত পর্যায়ে খোলা হলেও যাত্রী ছিল কম। এখন আস্তে আস্তে যাত্রী বাড়ায় আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চালক ও মালিকরা বেপরোয়া। ট্রিভ বেশি দেয়ার জন্য বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালাচ্ছেন অনেক চালক। ফলে দুর্ঘটনা বাড়ছে। বিভিন্ন মহাসড়কে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। যেখানে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে সেখানে সড়ক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে এ কারণেও অনেক এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানান তিনি।

অন্য বছরের তুলনায় এ বছর করোনার কারণে অনেকদিন পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায়

দুর্ঘটনা কম হয়েছে জানিয়ে মোজাম্মেল বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে পুরো বছরে হতাহতে সঠিক হিসাব করা হয়নি। তবে ধারণা করা হয় এবার সড়ক দুর্ঘটনা মৃত্যুর সংখ্যা চার হাজারের কম। ইদানিং নানা কারণে দুর্ঘটনা বেড়েছে বলে মত দেন তিনি।

বন্ধ হয়নি নিষিদ্ধ যানবাহন ॥ সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের অনেক বৈঠকে মহাসড়কে দুর্ঘটনার জন্য তিন চাকার স্বল্প গতির যানবাহনকে দায়ী করা হয়। যার প্রেক্ষিতে সড়ক-মহাসড়কে এসব যানবাহন চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন আর রাজনৈতিক চাপে এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত কার্যকর করা থেকে পিছু হটে মন্ত্রণালয়। কিন্তু উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে

এসব যানবাহন চলাচল বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কার্যকর করা যায়নি।

জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, শীত মৌসুমে কুয়াশার কারণে সাবধানে গাড়ি চালানোর জন্য চালক ও মালিক সমিতিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এক একটাই সবাইকে সচেতন হতে হবে। সতর্ক হয়ে গাড়ি চালানোর বিকল্প নেই।

ডিসেম্বরে মৃত্যু ৪ শতাধিক মানুষের ॥ ডিসেম্বরে দেশে ৪০২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬৪ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত ৫১৩ জন। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এককভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। ১৩৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৪৭ জন,

যা মোট নিহতের ৩১.৬৮ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ॥ গতবছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশে এক হাজার ১১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক হাজার ২৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত ৪১৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৭২৪ জন ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী। ৩৭ জন শিক্ষক এবং ৩০৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ১২৪ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১২ দশমিক ৮ শতাংশ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT