কারাগার থেকে জেএমবির শীর্ষ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের - বর্ণমালা টেলিভিশন

রংপুর অঞ্চলে আবারো জঙ্গি তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে জঙ্গি সম্পৃক্ততার ঘটনায় আদালত থেকে ছাড়া পেয়ে আবার অনেকে জামিনে বেরিয়ে এসে পুরাতন জঙ্গি সদস্যদের সংগঠিত করে তোলার কাজ করছে। দেশজুড়ে জঙ্গি হামলা, রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে অশান্ত করার পরিকল্পনা করছে।

র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং সেল ভার্চুয়াল জগতে জঙ্গিদের গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। র‌্যাব সাইবার মনিটরিং সেল অনলাইনে নীলফামারীতে জঙ্গিদের একটি গ্রুপের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে। এরই ধারাবাহিকতায় জেএমবির (জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) গ্রুপকে শনাক্ত করে সেখানে অভিযান চালায়।

র‌্যাব সূত্র জানায়, র‌্যাবের সদর দফতরের একটি দলসহ র‌্যাব-১৩ রংপুরের একটি যৌথ বাহিনী শনিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে নীলফামারী সদর

উপজেলার সোনা রায় ইউনিয়নের মাঝপাড়া এলাকায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায়। এ সময় ৫ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেন র্যা ব সদস্যরা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নীলফামারীর মুশরত কুখাপাড়া এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে রংপুর অঞ্চলের জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান অহিদুল ইসলাম ওরফে আহিদ ওরফে পলাশ; তার অন্যতম সহযোগী একই জেলার পশ্চিম কুচিয়া মোড় পাঠানপাড়া এলাকার ওয়াজুদ্দিন মাসুদের ছেলে ওয়াহেদ আলী ওরফে আব্দুর রহমান (৩০); একই জেলার দক্ষিণ বালাপাড়া এলাকার তছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে সুজা (২৬); উত্তর মুশরত কুখাপাড়া এলাকার মৃত মকবুল হোসেন ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহিদ ওরফে জোবায়ের (২৭); সোনারাই কাচারিপাড়া এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে মো. নুর আমিন

ওরফে সবুজ (২৮)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলিসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বিকালে রংপুর র‌্যাব-১৩ এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং ঢাকার মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গ্রেফতার জেএমবি সদস্যরা নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডকে ঘিরে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করছিল। এরা জেএমবির সামরিক শাখার সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃতরা ২০১৫-১৯ সালের মধ্যে বায়াত গ্রহণ করে জেএমবিতে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। দেশর রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলাসহ, গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থাপনায় বোমা

হামলা চালিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার লক্ষ্যে তারা এ বোমাগুলো তৈরি করছিল জঙ্গিরা।

জঙ্গিরা র‌্যাবকে আরও জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন কারাগারে আটক জঙ্গি নেতাদের কারাগার থেকে কিংবা আদালতে যাওয়া আসার পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে তাদের মুক্ত করাও পরিকল্পনা ছিল জেএমবি সদস্যদের। সেজন্য তারা শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের নির্দেশে বোমা তৈরি করছিল।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত জঙ্গিরা জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা আইইডি তৈরির করার প্রশিক্ষণ নিয়ে নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ২-৩ মাস আগে আহিদ ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভস ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করেছিল। উক্ত বোমা তৈরির সময় গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরিত হয়ে আহিদের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। তারা ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েব পেইজ দেখে কীভাবে

বোমা তৈরি করতে হয় এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করে। তারা অনলাইনে রংপুর অঞ্চলের আমীরের নির্দেশনায় বেশ কয়েক দিন ধরে আইইডি তৈরি করে জঙ্গি শরিফের বাড়িতে রাখে। তারা রংপুর অঞ্চলের ২০-২৫ জনকে জঙ্গি সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

তাদের মধ্যে রংপুর অঞ্চলের কয়েকজন শ্রমিক, অটোচালক, টেইলার ইত্যাদি পেশায় কাজ করে। আহিদুল একটি খেলনা প্রস্তুত কোম্পানিতে চাকরি করে। সে দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। সে এই অঞ্চলে জেএমবির সামরিক শাখার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

রংপুর অঞ্চলে আবারো জঙ্গি তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে জঙ্গি সম্পৃক্ততার ঘটনায় আদালত থেকে ছাড়া পেয়ে আবার অনেকে জামিনে বেরিয়ে এসে পুরাতন জঙ্গি সদস্যদের সংগঠিত করে তোলার কাজ করছে। দেশজুড়ে জঙ্গি হামলা, রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে অশান্ত করার পরিকল্পনা করছে।

র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং সেল ভার্চুয়াল জগতে জঙ্গিদের গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। র‌্যাব সাইবার মনিটরিং সেল অনলাইনে নীলফামারীতে জঙ্গিদের একটি গ্রুপের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে। এরই ধারাবাহিকতায় জেএমবির (জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) গ্রুপকে শনাক্ত করে সেখানে অভিযান চালায়।

র‌্যাব সূত্র জানায়, র‌্যাবের সদর দফতরের একটি দলসহ র‌্যাব-১৩ রংপুরের একটি যৌথ বাহিনী শনিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে নীলফামারী সদর

উপজেলার সোনা রায় ইউনিয়নের মাঝপাড়া এলাকায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায়। এ সময় ৫ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেন র্যা ব সদস্যরা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নীলফামারীর মুশরত কুখাপাড়া এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে রংপুর অঞ্চলের জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান অহিদুল ইসলাম ওরফে আহিদ ওরফে পলাশ; তার অন্যতম সহযোগী একই জেলার পশ্চিম কুচিয়া মোড় পাঠানপাড়া এলাকার ওয়াজুদ্দিন মাসুদের ছেলে ওয়াহেদ আলী ওরফে আব্দুর রহমান (৩০); একই জেলার দক্ষিণ বালাপাড়া এলাকার তছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে সুজা (২৬); উত্তর মুশরত কুখাপাড়া এলাকার মৃত মকবুল হোসেন ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহিদ ওরফে জোবায়ের (২৭); সোনারাই কাচারিপাড়া এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে মো. নুর আমিন

ওরফে সবুজ (২৮)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলিসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বিকালে রংপুর র‌্যাব-১৩ এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং ঢাকার মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গ্রেফতার জেএমবি সদস্যরা নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডকে ঘিরে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করছিল। এরা জেএমবির সামরিক শাখার সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃতরা ২০১৫-১৯ সালের মধ্যে বায়াত গ্রহণ করে জেএমবিতে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। দেশর রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলাসহ, গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থাপনায় বোমা

হামলা চালিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার লক্ষ্যে তারা এ বোমাগুলো তৈরি করছিল জঙ্গিরা।

জঙ্গিরা র‌্যাবকে আরও জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন কারাগারে আটক জঙ্গি নেতাদের কারাগার থেকে কিংবা আদালতে যাওয়া আসার পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে তাদের মুক্ত করাও পরিকল্পনা ছিল জেএমবি সদস্যদের। সেজন্য তারা শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের নির্দেশে বোমা তৈরি করছিল।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত জঙ্গিরা জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা আইইডি তৈরির করার প্রশিক্ষণ নিয়ে নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ২-৩ মাস আগে আহিদ ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভস ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করেছিল। উক্ত বোমা তৈরির সময় গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরিত হয়ে আহিদের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। তারা ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েব পেইজ দেখে কীভাবে

বোমা তৈরি করতে হয় এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করে। তারা অনলাইনে রংপুর অঞ্চলের আমীরের নির্দেশনায় বেশ কয়েক দিন ধরে আইইডি তৈরি করে জঙ্গি শরিফের বাড়িতে রাখে। তারা রংপুর অঞ্চলের ২০-২৫ জনকে জঙ্গি সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

তাদের মধ্যে রংপুর অঞ্চলের কয়েকজন শ্রমিক, অটোচালক, টেইলার ইত্যাদি পেশায় কাজ করে। আহিদুল একটি খেলনা প্রস্তুত কোম্পানিতে চাকরি করে। সে দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। সে এই অঞ্চলে জেএমবির সামরিক শাখার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কারাগার থেকে জেএমবির শীর্ষ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ ডিসেম্বর, ২০২১ | ১০:৫১ 101 ভিউ
রংপুর অঞ্চলে আবারো জঙ্গি তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে জঙ্গি সম্পৃক্ততার ঘটনায় আদালত থেকে ছাড়া পেয়ে আবার অনেকে জামিনে বেরিয়ে এসে পুরাতন জঙ্গি সদস্যদের সংগঠিত করে তোলার কাজ করছে। দেশজুড়ে জঙ্গি হামলা, রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে অশান্ত করার পরিকল্পনা করছে। র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং সেল ভার্চুয়াল জগতে জঙ্গিদের গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। র‌্যাব সাইবার মনিটরিং সেল অনলাইনে নীলফামারীতে জঙ্গিদের একটি গ্রুপের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে। এরই ধারাবাহিকতায় জেএমবির (জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) গ্রুপকে শনাক্ত করে সেখানে অভিযান চালায়। র‌্যাব সূত্র জানায়, র‌্যাবের সদর দফতরের একটি দলসহ র‌্যাব-১৩ রংপুরের একটি যৌথ বাহিনী শনিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে নীলফামারী সদর

উপজেলার সোনা রায় ইউনিয়নের মাঝপাড়া এলাকায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায়। এ সময় ৫ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেন র্যা ব সদস্যরা। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নীলফামারীর মুশরত কুখাপাড়া এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে রংপুর অঞ্চলের জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান অহিদুল ইসলাম ওরফে আহিদ ওরফে পলাশ; তার অন্যতম সহযোগী একই জেলার পশ্চিম কুচিয়া মোড় পাঠানপাড়া এলাকার ওয়াজুদ্দিন মাসুদের ছেলে ওয়াহেদ আলী ওরফে আব্দুর রহমান (৩০); একই জেলার দক্ষিণ বালাপাড়া এলাকার তছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে সুজা (২৬); উত্তর মুশরত কুখাপাড়া এলাকার মৃত মকবুল হোসেন ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহিদ ওরফে জোবায়ের (২৭); সোনারাই কাচারিপাড়া এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে মো. নুর আমিন

ওরফে সবুজ (২৮)। এ সময় তাদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলিসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। শনিবার বিকালে রংপুর র‌্যাব-১৩ এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং ঢাকার মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গ্রেফতার জেএমবি সদস্যরা নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডকে ঘিরে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করছিল। এরা জেএমবির সামরিক শাখার সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃতরা ২০১৫-১৯ সালের মধ্যে বায়াত গ্রহণ করে জেএমবিতে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। দেশর রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলাসহ, গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থাপনায় বোমা

হামলা চালিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার লক্ষ্যে তারা এ বোমাগুলো তৈরি করছিল জঙ্গিরা। জঙ্গিরা র‌্যাবকে আরও জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন কারাগারে আটক জঙ্গি নেতাদের কারাগার থেকে কিংবা আদালতে যাওয়া আসার পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে তাদের মুক্ত করাও পরিকল্পনা ছিল জেএমবি সদস্যদের। সেজন্য তারা শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের নির্দেশে বোমা তৈরি করছিল। র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত জঙ্গিরা জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা আইইডি তৈরির করার প্রশিক্ষণ নিয়ে নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ২-৩ মাস আগে আহিদ ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভস ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করেছিল। উক্ত বোমা তৈরির সময় গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরিত হয়ে আহিদের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। তারা ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েব পেইজ দেখে কীভাবে

বোমা তৈরি করতে হয় এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করে। তারা অনলাইনে রংপুর অঞ্চলের আমীরের নির্দেশনায় বেশ কয়েক দিন ধরে আইইডি তৈরি করে জঙ্গি শরিফের বাড়িতে রাখে। তারা রংপুর অঞ্চলের ২০-২৫ জনকে জঙ্গি সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করেছে। তাদের মধ্যে রংপুর অঞ্চলের কয়েকজন শ্রমিক, অটোচালক, টেইলার ইত্যাদি পেশায় কাজ করে। আহিদুল একটি খেলনা প্রস্তুত কোম্পানিতে চাকরি করে। সে দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। সে এই অঞ্চলে জেএমবির সামরিক শাখার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ