ঢাকা, Thursday 28 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

করোনার টিকা কিনতে ৪২৫০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত : 09:06 AM, 20 March 2021 Saturday
52 বার পঠিত

| ডোনেট বিডি নিউজ ডেস্কঃ |

৫ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে টিকাদানে বাংলাদেশকে সহায়তায় সহজ শর্তে ৫০ কোটি ডলার (৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকা) ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক থেকে শুক্রবার পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স এ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস প্রজেক্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে বিশ্বব্যাংক থেকে অতিরিক্ত এই অর্থ দেয়া হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, প্রথম পর্যায়ে দেশের ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের আওতায় আনতে সরকারের যে প্রাথমিক অগ্রাধিকার পরিকল্পনা, তার অধীনে ৩১ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে এই অর্থায়ন সহায়তা করবে। সেই সঙ্গে এটি নিরাপদ ও কার্যকরী টিকা ক্রয়, সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং বিতরণে সরকারকে সহায়তা করবে। এ

বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, ‘জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীর মাধ্যমে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে বাংলাদেশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। টিকাদান কর্মসূচীর লক্ষ্য অর্জনে দ্রুত এবং সাম্যতার সঙ্গে মানুষের টিকাপ্রাপ্তি জরুরী। ‘এই অর্থায়ন জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ জনগণের জন্য অবিলম্বে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করবে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রকল্পের আওতায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ চিহ্নিত করা, প্রতিরোধ, চিকিৎসা এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যবিষয়ক জরুরী পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে বিশ্বব্যাংক সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এছাড়া একটি সফল টিকাদান কর্মসূচীর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেবে এবং টিকা পরীক্ষায় ঔষধ প্রশাসন পরিদফতরের সক্ষমতা বাড়াবে।

বিশ্বব্যাংক থেকে জানানো

হয়, এই অর্থায়ন দেশের জনগণের প্রায় ২০ শতাংশের জন্য গ্লোবাল এ্যাকসেস ফ্যাসিলিটির (কোভ্যাক্স) মাধ্যমে প্রাপ্ত টিকা দেয়ার ব্যয় বহন করবে। বাকি ১১ শতাংশ মানুষের জন্য এই অর্থায়ন উৎপাদকের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় অথবা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে পাওয়া টিকার ব্যয়ভার ও টিকা প্রদানের ব্যয় বহন করবে। এর বাইরে সরকার নিজস্ব সম্পদের মাধ্যমে দেশের ৯ শতাংশ লোকের জন্য টিকার ব্যয়ভার বহন করবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশন অফিসার ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ইফফাত মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের শিশুদের টিকাদান কর্মসূচী ব্যবস্থাপনায় সুদীর্ঘ ও সফল অভিজ্ঞতার আলোকে এই অর্থায়ন সেই সমস্ত মানুষের কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, যাদের টিকার

প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। এছাড়া প্রকল্পটি টেস্টিং ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং জেলা পর্যায়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র সম্প্রসারণে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।’

অতিরিক্ত এই অর্থায়নের ফলে প্রকল্পটিতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ৬০ কোটি ডলার। এর বাইরে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) এই প্রকল্পে ১০ কোটি ডলার অর্থায়ন করছে। বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে ৩০ বছর মেয়াদী এই ঋণে পাঁচ বছরের গ্রসপিরিয়ড (কিস্তি অব্যাহতির সময়কাল) রয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে চলমান আইডিএ কর্মসূচীর সর্বাধিক অর্থায়ন রয়েছে, যার পরিমাণ ১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সহায়তায় এগিয়ে আসা প্রথম উন্নয়ন সহযোগীদের অন্যতম এবং এ দেশের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৩৫ বিলিয়ন ডলারের

বেশি অনুদান এবং সুদবিহীন ও নমনীয় কনসেশনাল ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকার জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম ধাপে যে তিনটি দেশকে সহায়তা দেয়া হয়েছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। শুক্রবার বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক বোর্ড নেপালকে সাড়ে ৭ কোটি ডলার ও আফগানিস্তানকে ৬ কোটি ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন দিয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT