নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাড়ছে পদ্মার পানি, বন্যার আভাস
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বৃক্ষ বন্দনা’ ‘ধরা তরু কাব্য’ অনুষ্ঠিত
২ বছর আগে চাকরিচ্যুত কর্মস্থল থেকে সাংবাদিক পুলক চট্টোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: পা ছিল মেঝেতে
কুড়িগ্রামে সারের তীব্র হাহাকার: কৃষক বিদ্রোহ দমনে পুলিশি হয়রানি, পুরুষশূন্য গ্রাম
ডনের আচরণে সালমান শাহ হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলছে: সিআইডি
বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বাড়িতেই পড়লো হাইভোল্টেজ বজ্রপাত
সাগরে বিলীন কুয়াকাটার সেই ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স
“এখন আমি জামিন চাই না”-দিপু মনি: জামিনের আবেদন প্রত্যাহার করে জানালেন, আর প্রয়োজনীয়তা নেই
যেই অসুস্থ স্বামীকে শেষবার দেখা ও দেখভালের জন্য এতদিন জামিন চাইতেন, স্বামীর বিয়োগের পর সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, এখন আর জামিনের প্রয়োজন নেই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে তিনি জানিয়েছেন, জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চান।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তাঁকে হাজির করা হয়। আজ তাঁর জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানি শুরুর আগে কথা বলার অনুমতি চেয়ে তিনি এজলাসের কাঠগড়ায় মাইক্রোফোনে বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ আছি। গত এপ্রিল মাসে আমার জামিন আবেদন করা হয়েছে। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।’
দীপু মনি বলেন, ‘এর আগে জামিন আবেদন শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, বাসায় গিয়ে কী করবেন? এখন আমার আর বাসায় যাওয়ার দরকার নেই। আমার স্বামী তৌফিক নেওয়াজ সাত বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। তাঁর বাকশক্তিও ছিল না। কোনো কথা বললে চোখের পলক ফেলে উত্তর দিতেন তিনি। আমি পাঁচ বছর সরকারি দায়িত্বপালনের সময় শয্যাশায়ী স্বামীর যত্ন নিয়েছি। এ অবস্থায় বাড়ি ছেড়ে আমার স্বামীকে দুই বছর অজ্ঞাত স্থানে থাকতে হয়েছে। আশ্রিত অবস্থায় ছিলেন। আমিও যত্ন নিতে পারিনি। এ জীবন তিনি মেনে নিতে পারেননি।’
গত ১৮ আগস্ট রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৬ এপ্রিল দীপু মনির আইনজীবী জামিন আবেদন করেছিলেন। স্বামীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চার মাস আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দীপু মনি বলেন, ‘তখন তাঁর কাছে যাওয়ার জন্য জামিন আবেদন করেছিলাম। ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর শেষ সময়ে কাছে থাকতে পারেননি। এখন আমার বাসায় যাওয়ার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। আমি আর কার কাছে যাব? সন্তানরা জামিন চায়। আমার বাসায় যাওয়ার আর তাড়া নেই।’
ট্রাইব্যুনাল জানায়, তাঁরা খুবই ব্যথিত। দীপু মনির আবেদনের যৌক্তিকতা আছে। তবে আরও অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল জামিন শুনানির জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেছে।
স্বামীর জানাজা ও দাফনের জন্য এর আগে আদালত ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করেছিলেন। শেষবিদায় জানিয়ে তিনি আবার মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরেছেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]