ঢাকা, Monday 18 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

একুশে গ্রন্থমেলায় অংশ নিচ্ছে ৫২২টি প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত : 09:17 AM, 13 March 2021 Saturday
36 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

মহামারীর অভিঘাতে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়নি অমর একুশে গ্রন্থমেলা। তাই বলে স্থগিত হয়নি বাঙালীর মননের সুন্দরতম প্রকাশের আয়োজনটি। ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে এবার স্বাধীনতার সাক্ষ্যবহ মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গ্রন্থমেলা। হাতে আছে আর মাত্র কয়েকটি দিন। আগামী ১৮ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী গ্রন্থমেলা। এদিন বিকেল চারটায় ভার্চুয়ালি মেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য ‘হে স্বাধীনতা’। দুইটি বিশেষ ঘটনার সাক্ষী হবে এ বছরের গ্রন্থমেলা। মেলার মাধ্যমে একইসঙ্গে উদ্্যাপিত হবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ। সেই সুবাদে এই দুটি থিম নিয়েই বিন্যস্ত হচ্ছে গ্রন্থমেলা। মেলার কাঠামোগত সাজসজ্জায় মূর্ত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ

মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বঙ্গবন্ধুর জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধের নানা বিষয়কে উপজীব্য করে সজ্জিত হবে মেলার দুই ক্যানভাস সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি আঙ্গিনা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে মূল কাঠামো। সেই সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মেলার উদ্যান অংশে উপস্থাপিত হবে স্বাধীনতা বিষয়ক প্রদর্শনী। মুক্তিযুদ্ধনির্ভর আলোকচিত্র, তথ্যসহ নানা বিষয় সংযুক্ত হবে এ প্রদর্শনীতে। নক্সাটি প্রণয়ন করবেন গত দুই মেলার সফল নক্সাবিদ স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর। বর্তমানে চলছে মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমির চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি। বিন্যস্ত হচ্ছে স্টল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমিকে ঘিরে চলছে স্টল নির্মাণের বিপুল কর্মযজ্ঞ। আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে

স্টল সজ্জার কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থাকে। একইভাবে ১৬ মার্চের মধ্যে দর্শনার্থী প্রবেশে টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলা একাডেমি। মার্চ মাসে মেলা হওয়ায় ঝড়-বৃষ্টির বিরূপ আবহাওয়ার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এজন্য পাঠক বা বইপ্রেমীদের বিড়ম্বনা এড়াতে মেলার অভ্যন্তরে থাকবে চারটি আশ্রয় কেন্দ্র। এছাড়াও স্টল নির্মাণেও শক্ত কাঠামো নির্মাণের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। মেলায় বৃষ্টির পানি জমে গেলে নিষ্কাশনের জন্য জন্য রাখা হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা। এছাড়া বরাবরের মতো দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদল।

এবারের গ্রন্থমেলায় অংশ নিচ্ছে ৫২২টি প্রকাশনা

প্রতিষ্ঠান। সব মিলিয়ে ৮০৭ ইউনিটের মেলায় প্যাভিলিয়নে সংখ্যা ৩৩টি। গত কয়েক বছরের তুলায় এবার মেলার পরিসর বাড়ছে। গত বছরের আট লাখ বর্গফুটের জায়গায় এবার ১৫ লাখ বর্গফুট এলাকাজুড়ে হবে গ্রন্থমেলা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনসংলগ্ন এলাকাকে অন্তর্ভুক্তি বর্ধিত হয়েছে মেলার পরিসর। এছাড়া মেলার নান্দনিকতা বাড়াতে স্বাধীনতা স্তম্ভের গ্লাস টাওয়ারের সামনের অংশকে ঘিরে থাকছে বিশেষ পরিকল্পনা। মেলার অঙ্গসজ্জায় বিশেষভাবে ফুটে উঠবে বাংলা বর্ণমালা। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর দেয়া বিভিন্ন বাণী ও উক্তি প্রাধান্য পাবে বিন্যাসে। সেই সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকেও মেলে ধরা হবে আলোকচিত্র, তথ্যচিত্রসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। এছাড়া করোনাকালে প্যাভিলিয়ন থেকে স্টলের বিন্যাসের থেকে যথাসম্ভব দূরত্ব বজায় রাখা হবে।

অতিমারীর

নতুন বাস্তবতার একুশে গ্রন্থমেলায় বিশেষভাবে প্রাধান্য পাবে স্বাস্থ্যবিধি। সেই সুবাদে প্রবেশ পথেই দর্শনার্থীদের তাপমাত্রা নির্ণয় করা হবে। থাকবে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা। এর বাইরে সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরে প্রবেশ করতে হবে মেলায়। এছাড়া মেলাকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে নেয়া হবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ। এবারই প্রথম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সংলগ্ন উদ্যানের গেট দিয়ে প্রবেশের সুযোগ পাবেন বইপ্রেমীরা। এর বাইরে উদ্যানের টিএসসি এবং বাংলা একাডেমির উল্টোদিকের গেট দিয়ে দর্শনার্থীরা প্রবেশ করবেন মেলায়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT