ইসলামে বিজয় উদযাপন - বর্ণমালা টেলিভিশন

আমাদের স্বাধীনতার বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর, বাঙালি জাতির বিশেষ আনন্দের দিন। বিজয় এবং স্বাধীনতা মহান সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত।

ইসলাম চায় সব মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে স্বাধীনভাবে স্ব-স্ব ধর্ম পালন করতে পারে। ইসলাম আমাদের এ শিক্ষাই দেয়, আমরা যেন আমাদের ভূখণ্ড তথা মাতৃভূমিকে ভালোবাসি আর এটাই প্রিয় নবিজি (সা.)-এর উত্তম আদর্শ। তাই বলা যায়, দেশপ্রেম, রাষ্ট্রের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা হচ্ছে মুসলমানদের চরিত্র।

রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সত্যিকার ইমানদার গাদ্দারি করতে পারে না। সুতরাং এ দেশের বিজয় দিবস আমাদের গৌরব, অহংকার। স্বাধীনতার ইসলামি স্বরূপ হচ্ছে-মানুষ মানুষের গোলামি করবে না। মানুষ একমাত্র সৃষ্টিকর্তার গোলামি করবে। আল্লাহপাকের জমিনে তিনি পরাধীনতা পছন্দ

করেন না। যেখানে স্বাধীন ভূখণ্ড নেই, সেখানে ধর্ম নেই, আর যেখানে ধর্ম নেই, সেখানে কিছুই নেই। তাই আমাদের মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার জন্য ত্যাগ করতে হয়েছে অনেক কিছু, দিতে হয়েছে লাখো প্রাণের তাজা রক্ত। পাকিস্তানের আগ্রাসী থাবা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নের পথে এগোতে থাকে সদ্য জন্ম নেওয়া দেশটি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির প্রধান লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো।

ঘরে ঘরে শোকের মাতম বইছে আর অপরদিকে রাস্তাঘাট, রেলপথসহ অবকাঠামো নষ্ট হয়ে সে যেন এক ধ্বংসস্তূপের বাংলাদেশ। ব্যাংক ও শিল্প খাতেরও একই অবস্থা।

অর্থাৎ সবকিছু পেছনে ফেলে নতুন করে শুরু করার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। এমনই এক চ্যালেঞ্জ সামনে। সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাত্র ৫০ বছরে বাংলাদেশ

এখন বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের এক মডেল হিসাবে পরিচিত।

অপরদিকে বাংলাদেশকে যারা শোষণ-নিপীড়নে নিষ্পেষিত করতে চেয়েছিল, তারা এখন অনেক কিছুতেই পিছিয়ে। বাংলাদেশের উন্নতি নিয়ে প্রশংসার ঝড় বইছে পাকিস্তানের মিডিয়াগুলোতে।

পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা এখন এ কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন, ‘খোদাকে ওয়াস্তে হামে বাংলাদেশ বানাদো’ অর্থাৎ আল্লাহর দোহাই লাগে আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। শুধু তাই নয়, স্বয়ং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানই বাংলাদেশের উন্নতির তুলনা করে বড় আক্ষেপের সঙ্গে বলেছেন-পূর্ব পাকিস্তান যখন পৃথক হলো, তখন অনেককে বলতে শুনেছি, আমাদের ওপর একটি বোঝা হিসাবে ছিল পূর্ব পাকিস্তান, পৃথক হওয়ায় ভালোই হয়েছে। এসব কথা আমি নিজ কানে শুনেছি। আজ সেই পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ সব ক্ষেত্রে

এগিয়ে গেছে। এর কারণ হলো, সেখানের নীতিনির্ধারকরা দূরদর্শী। ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর দেওয়া তার এ বক্তব্যের ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল।

সৃষ্টির প্রতিটি জীব স্বাধীনতা পছন্দ করে। পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি বা জীব পাওয়া যাবে না, যারা পরাধীন থাকতে চায়। তাই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সবাই কতই না চেষ্টা-প্রচেষ্টা করে থাকে। আর এ স্বাধীনতার জন্যই মহানবি (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করে মক্কাকে করেছিলেন স্বাধীন। সবাইকে উপভোগ করতে দিয়েছিলেন বিজয়ের প্রকৃত আনন্দ। বিজয় দিবস সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের দুটি সূরা আমাদের সামনে পড়ে। একটি সূরাতুল ‘ফাতাহ’ (বিজয়), আরেকটি সূরার নাম ‘আন-নাসর’ (মুক্তি ও সাহায্য)। আসলে বিজয়ের যে আনন্দ প্রকাশ তা আল্লাহর শুকরিয়া, আল্লাহর

পবিত্রতা ও বড়ত্ব বর্ণনা করার মাধ্যমেই ইসলাম আমাদের দেয়।

ইসলামের ইতিহাস পাঠে জানা যায়, পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত নবির আগমন হয়েছে তারা সবাই সমাজ, দেশ ও জাতির স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। আর এ স্বাধীনতা অত্যাচারী শাসকের দাসত্ব থেকে জাতিকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রেই হোক বা ধর্মীয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রে হোক। এক কথায় বলা যায়, সব ধরনের দাসত্ব ও পরাধীনতা থেকে মুক্ত করাই হচ্ছে আল্লাহতায়ালার প্রেরিত নবিদের কাজ। আমরা জানি, গোলাম মুক্ত করে এবং সর্ব ক্ষেত্রে স্বাধীনতার জন্য যিনি আজীবন লড়াই করে গেছেন এবং শতভাগ সফল হয়েছেন তিনি হলেন বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি হচ্ছেন স্বাধীনতার উজ্জ্বল সূর্য। যার কিরণ দূরদূরান্তে বিস্তার লাভ

করেছে, যিনি নিজের মাঝে সব ধরনের স্বাধীনতাকে ধারণ করেছিলেন। যিনি মানুষকে শুধু বাহ্যিক দাসত্ব থেকেই স্বাধীনতা দেননি বরং সমাজ ও দেশ থেকে সব ধরনের নৈরাজ্য দূর করে সবাইকে করেছিলেন স্বাধীন। বিশ্বের এক বিশাল জনগোষ্ঠী অবলোকন করেছে, কীভাবে বিশ্বনবি (সা.) সর্বত্র স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

স্বাধীনতাকে ইসলাম যেমন গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি দেশপ্রেম ও দেশাত্মবোধকেও অতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং একে ইমানের অংশ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মহানবির (সা.) হৃদয়ে স্বদেশপ্রেম যেমন ছিল, তেমনি তার সাহাবায়ে কেরামদের মাঝেও বিদ্যমান ছিল। তিনি (সা.) মক্কা থেকে মদিনার পথে হিজরতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তার মুখ ফেরালেন জন্মভূমি মক্কার দিকে, যেখানে তিনি নবুয়ত লাভ করেছেন এবং তার

পূর্বপুরুষরা বসবাস করে আসছেন। তিনি বারবার ফিরে তাকাচ্ছেন মক্কার দিকে, চোখ থেকে অশ্রু ঝরছে। মক্কার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে কেঁদে কেঁদে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন ‘হে মক্কা! তুমি আমার কাছে সব স্থান থেকে অধিক প্রিয়, আমি মক্কাকেই ভালোবাসি। আমার মন মানছে না। কিন্তু তোমার লোকেরা আমাকে এখানে থাকতে দিল না, সব কিছুর মালিক তুমি। মক্কার মানুষদের ইমানের আলোয় উজ্জ্বল কর। ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত কর’ (মুসনাদ আহমদ ও তিরমিযি)। একটু ভেবে দেখুন! স্বদেশের প্রতি কতই না গভীর প্রেম ছিল বিশ্বনবির। যে দেশের লোকেরা তার ওপর এত জুলুম-অত্যাচার করেছে তার পরও মাতৃভূমির প্রতি কত অগাদ ভালোবাসা। একেই না বলে স্বদেশপ্রেম।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌম রক্ষায় মহানবি

(সা.) যখনই আহ্বান করেছেন, তখনই সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সর্বোতভাবে এ ডাকে সাড়া দিয়েছেন। তারা জানতেন, নিজেদের বিশ্বাস, আদর্শ ও দ্বীন-ধর্মমত প্রতিষ্ঠার জন্য একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের প্রয়োজন। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য তারা যেমন আন্তরিক ছিলেন, তেমনি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন দেশপ্রেম ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষায়।

প্রিয় নবি (সা.) মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এমনকি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিজয়ের চেতনাকে জাগ্রত করে, তাদের মানুষ হিসাবে নিজের পরিচয়, সম্মান, আত্মমর্যাদাবোধ প্রতিষ্ঠা করে দুনিয়ার ইতিহাসে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তিনি যেমন অসংখ্য দাসকে নিজ খরচে মুক্ত করেছেন, তেমনি সমগ্র বিশ্বকে দিয়েছিলেন স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ। বিজয় দিবস আমরা আল্লাহর কৃতজ্ঞতা, দোয়া এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে উদযাপন করার চেষ্টা করতে পারি।

মহানবি (সা.) মক্কা বিজয়ের আনন্দে প্রথমেই তিনি আট রাকাআত নফল নামাজ আদায় করেছিলেন। আমরাও পারি রাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে আল্লাহপাকের শুকরিয়া আদায় করে বিজয়ের আনন্দ উদযাপন করতে।

লেখক : ইসলামি গবেষক ও কলামিস্ট

আমাদের স্বাধীনতার বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর, বাঙালি জাতির বিশেষ আনন্দের দিন। বিজয় এবং স্বাধীনতা মহান সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত।

ইসলাম চায় সব মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে স্বাধীনভাবে স্ব-স্ব ধর্ম পালন করতে পারে। ইসলাম আমাদের এ শিক্ষাই দেয়, আমরা যেন আমাদের ভূখণ্ড তথা মাতৃভূমিকে ভালোবাসি আর এটাই প্রিয় নবিজি (সা.)-এর উত্তম আদর্শ। তাই বলা যায়, দেশপ্রেম, রাষ্ট্রের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা হচ্ছে মুসলমানদের চরিত্র।

রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সত্যিকার ইমানদার গাদ্দারি করতে পারে না। সুতরাং এ দেশের বিজয় দিবস আমাদের গৌরব, অহংকার। স্বাধীনতার ইসলামি স্বরূপ হচ্ছে-মানুষ মানুষের গোলামি করবে না। মানুষ একমাত্র সৃষ্টিকর্তার গোলামি করবে। আল্লাহপাকের জমিনে তিনি পরাধীনতা পছন্দ

করেন না। যেখানে স্বাধীন ভূখণ্ড নেই, সেখানে ধর্ম নেই, আর যেখানে ধর্ম নেই, সেখানে কিছুই নেই। তাই আমাদের মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার জন্য ত্যাগ করতে হয়েছে অনেক কিছু, দিতে হয়েছে লাখো প্রাণের তাজা রক্ত। পাকিস্তানের আগ্রাসী থাবা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নের পথে এগোতে থাকে সদ্য জন্ম নেওয়া দেশটি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির প্রধান লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো।

ঘরে ঘরে শোকের মাতম বইছে আর অপরদিকে রাস্তাঘাট, রেলপথসহ অবকাঠামো নষ্ট হয়ে সে যেন এক ধ্বংসস্তূপের বাংলাদেশ। ব্যাংক ও শিল্প খাতেরও একই অবস্থা।

অর্থাৎ সবকিছু পেছনে ফেলে নতুন করে শুরু করার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। এমনই এক চ্যালেঞ্জ সামনে। সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাত্র ৫০ বছরে বাংলাদেশ

এখন বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের এক মডেল হিসাবে পরিচিত।

অপরদিকে বাংলাদেশকে যারা শোষণ-নিপীড়নে নিষ্পেষিত করতে চেয়েছিল, তারা এখন অনেক কিছুতেই পিছিয়ে। বাংলাদেশের উন্নতি নিয়ে প্রশংসার ঝড় বইছে পাকিস্তানের মিডিয়াগুলোতে।

পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা এখন এ কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন, ‘খোদাকে ওয়াস্তে হামে বাংলাদেশ বানাদো’ অর্থাৎ আল্লাহর দোহাই লাগে আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। শুধু তাই নয়, স্বয়ং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানই বাংলাদেশের উন্নতির তুলনা করে বড় আক্ষেপের সঙ্গে বলেছেন-পূর্ব পাকিস্তান যখন পৃথক হলো, তখন অনেককে বলতে শুনেছি, আমাদের ওপর একটি বোঝা হিসাবে ছিল পূর্ব পাকিস্তান, পৃথক হওয়ায় ভালোই হয়েছে। এসব কথা আমি নিজ কানে শুনেছি। আজ সেই পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ সব ক্ষেত্রে

এগিয়ে গেছে। এর কারণ হলো, সেখানের নীতিনির্ধারকরা দূরদর্শী। ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর দেওয়া তার এ বক্তব্যের ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল।

সৃষ্টির প্রতিটি জীব স্বাধীনতা পছন্দ করে। পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি বা জীব পাওয়া যাবে না, যারা পরাধীন থাকতে চায়। তাই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সবাই কতই না চেষ্টা-প্রচেষ্টা করে থাকে। আর এ স্বাধীনতার জন্যই মহানবি (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করে মক্কাকে করেছিলেন স্বাধীন। সবাইকে উপভোগ করতে দিয়েছিলেন বিজয়ের প্রকৃত আনন্দ। বিজয় দিবস সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের দুটি সূরা আমাদের সামনে পড়ে। একটি সূরাতুল ‘ফাতাহ’ (বিজয়), আরেকটি সূরার নাম ‘আন-নাসর’ (মুক্তি ও সাহায্য)। আসলে বিজয়ের যে আনন্দ প্রকাশ তা আল্লাহর শুকরিয়া, আল্লাহর

পবিত্রতা ও বড়ত্ব বর্ণনা করার মাধ্যমেই ইসলাম আমাদের দেয়।

ইসলামের ইতিহাস পাঠে জানা যায়, পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত নবির আগমন হয়েছে তারা সবাই সমাজ, দেশ ও জাতির স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। আর এ স্বাধীনতা অত্যাচারী শাসকের দাসত্ব থেকে জাতিকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রেই হোক বা ধর্মীয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রে হোক। এক কথায় বলা যায়, সব ধরনের দাসত্ব ও পরাধীনতা থেকে মুক্ত করাই হচ্ছে আল্লাহতায়ালার প্রেরিত নবিদের কাজ। আমরা জানি, গোলাম মুক্ত করে এবং সর্ব ক্ষেত্রে স্বাধীনতার জন্য যিনি আজীবন লড়াই করে গেছেন এবং শতভাগ সফল হয়েছেন তিনি হলেন বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি হচ্ছেন স্বাধীনতার উজ্জ্বল সূর্য। যার কিরণ দূরদূরান্তে বিস্তার লাভ

করেছে, যিনি নিজের মাঝে সব ধরনের স্বাধীনতাকে ধারণ করেছিলেন। যিনি মানুষকে শুধু বাহ্যিক দাসত্ব থেকেই স্বাধীনতা দেননি বরং সমাজ ও দেশ থেকে সব ধরনের নৈরাজ্য দূর করে সবাইকে করেছিলেন স্বাধীন। বিশ্বের এক বিশাল জনগোষ্ঠী অবলোকন করেছে, কীভাবে বিশ্বনবি (সা.) সর্বত্র স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

স্বাধীনতাকে ইসলাম যেমন গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি দেশপ্রেম ও দেশাত্মবোধকেও অতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং একে ইমানের অংশ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মহানবির (সা.) হৃদয়ে স্বদেশপ্রেম যেমন ছিল, তেমনি তার সাহাবায়ে কেরামদের মাঝেও বিদ্যমান ছিল। তিনি (সা.) মক্কা থেকে মদিনার পথে হিজরতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তার মুখ ফেরালেন জন্মভূমি মক্কার দিকে, যেখানে তিনি নবুয়ত লাভ করেছেন এবং তার

পূর্বপুরুষরা বসবাস করে আসছেন। তিনি বারবার ফিরে তাকাচ্ছেন মক্কার দিকে, চোখ থেকে অশ্রু ঝরছে। মক্কার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে কেঁদে কেঁদে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন ‘হে মক্কা! তুমি আমার কাছে সব স্থান থেকে অধিক প্রিয়, আমি মক্কাকেই ভালোবাসি। আমার মন মানছে না। কিন্তু তোমার লোকেরা আমাকে এখানে থাকতে দিল না, সব কিছুর মালিক তুমি। মক্কার মানুষদের ইমানের আলোয় উজ্জ্বল কর। ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত কর’ (মুসনাদ আহমদ ও তিরমিযি)। একটু ভেবে দেখুন! স্বদেশের প্রতি কতই না গভীর প্রেম ছিল বিশ্বনবির। যে দেশের লোকেরা তার ওপর এত জুলুম-অত্যাচার করেছে তার পরও মাতৃভূমির প্রতি কত অগাদ ভালোবাসা। একেই না বলে স্বদেশপ্রেম।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌম রক্ষায় মহানবি

(সা.) যখনই আহ্বান করেছেন, তখনই সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সর্বোতভাবে এ ডাকে সাড়া দিয়েছেন। তারা জানতেন, নিজেদের বিশ্বাস, আদর্শ ও দ্বীন-ধর্মমত প্রতিষ্ঠার জন্য একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের প্রয়োজন। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য তারা যেমন আন্তরিক ছিলেন, তেমনি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন দেশপ্রেম ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষায়।

প্রিয় নবি (সা.) মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এমনকি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিজয়ের চেতনাকে জাগ্রত করে, তাদের মানুষ হিসাবে নিজের পরিচয়, সম্মান, আত্মমর্যাদাবোধ প্রতিষ্ঠা করে দুনিয়ার ইতিহাসে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তিনি যেমন অসংখ্য দাসকে নিজ খরচে মুক্ত করেছেন, তেমনি সমগ্র বিশ্বকে দিয়েছিলেন স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ। বিজয় দিবস আমরা আল্লাহর কৃতজ্ঞতা, দোয়া এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে উদযাপন করার চেষ্টা করতে পারি।

মহানবি (সা.) মক্কা বিজয়ের আনন্দে প্রথমেই তিনি আট রাকাআত নফল নামাজ আদায় করেছিলেন। আমরাও পারি রাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে আল্লাহপাকের শুকরিয়া আদায় করে বিজয়ের আনন্দ উদযাপন করতে।

লেখক : ইসলামি গবেষক ও কলামিস্ট

ইসলামে বিজয় উদযাপন

মাহমুদ আহমদ
আপডেটঃ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৯:০২ 77 ভিউ
আমাদের স্বাধীনতার বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর, বাঙালি জাতির বিশেষ আনন্দের দিন। বিজয় এবং স্বাধীনতা মহান সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। ইসলাম চায় সব মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে স্বাধীনভাবে স্ব-স্ব ধর্ম পালন করতে পারে। ইসলাম আমাদের এ শিক্ষাই দেয়, আমরা যেন আমাদের ভূখণ্ড তথা মাতৃভূমিকে ভালোবাসি আর এটাই প্রিয় নবিজি (সা.)-এর উত্তম আদর্শ। তাই বলা যায়, দেশপ্রেম, রাষ্ট্রের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা হচ্ছে মুসলমানদের চরিত্র। রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সত্যিকার ইমানদার গাদ্দারি করতে পারে না। সুতরাং এ দেশের বিজয় দিবস আমাদের গৌরব, অহংকার। স্বাধীনতার ইসলামি স্বরূপ হচ্ছে-মানুষ মানুষের গোলামি করবে না। মানুষ একমাত্র সৃষ্টিকর্তার গোলামি করবে। আল্লাহপাকের জমিনে তিনি পরাধীনতা পছন্দ

করেন না। যেখানে স্বাধীন ভূখণ্ড নেই, সেখানে ধর্ম নেই, আর যেখানে ধর্ম নেই, সেখানে কিছুই নেই। তাই আমাদের মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার জন্য ত্যাগ করতে হয়েছে অনেক কিছু, দিতে হয়েছে লাখো প্রাণের তাজা রক্ত। পাকিস্তানের আগ্রাসী থাবা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নের পথে এগোতে থাকে সদ্য জন্ম নেওয়া দেশটি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির প্রধান লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো। ঘরে ঘরে শোকের মাতম বইছে আর অপরদিকে রাস্তাঘাট, রেলপথসহ অবকাঠামো নষ্ট হয়ে সে যেন এক ধ্বংসস্তূপের বাংলাদেশ। ব্যাংক ও শিল্প খাতেরও একই অবস্থা। অর্থাৎ সবকিছু পেছনে ফেলে নতুন করে শুরু করার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। এমনই এক চ্যালেঞ্জ সামনে। সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাত্র ৫০ বছরে বাংলাদেশ

এখন বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের এক মডেল হিসাবে পরিচিত। অপরদিকে বাংলাদেশকে যারা শোষণ-নিপীড়নে নিষ্পেষিত করতে চেয়েছিল, তারা এখন অনেক কিছুতেই পিছিয়ে। বাংলাদেশের উন্নতি নিয়ে প্রশংসার ঝড় বইছে পাকিস্তানের মিডিয়াগুলোতে। পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা এখন এ কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন, ‘খোদাকে ওয়াস্তে হামে বাংলাদেশ বানাদো’ অর্থাৎ আল্লাহর দোহাই লাগে আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। শুধু তাই নয়, স্বয়ং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানই বাংলাদেশের উন্নতির তুলনা করে বড় আক্ষেপের সঙ্গে বলেছেন-পূর্ব পাকিস্তান যখন পৃথক হলো, তখন অনেককে বলতে শুনেছি, আমাদের ওপর একটি বোঝা হিসাবে ছিল পূর্ব পাকিস্তান, পৃথক হওয়ায় ভালোই হয়েছে। এসব কথা আমি নিজ কানে শুনেছি। আজ সেই পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ সব ক্ষেত্রে

এগিয়ে গেছে। এর কারণ হলো, সেখানের নীতিনির্ধারকরা দূরদর্শী। ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর দেওয়া তার এ বক্তব্যের ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। সৃষ্টির প্রতিটি জীব স্বাধীনতা পছন্দ করে। পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি বা জীব পাওয়া যাবে না, যারা পরাধীন থাকতে চায়। তাই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সবাই কতই না চেষ্টা-প্রচেষ্টা করে থাকে। আর এ স্বাধীনতার জন্যই মহানবি (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করে মক্কাকে করেছিলেন স্বাধীন। সবাইকে উপভোগ করতে দিয়েছিলেন বিজয়ের প্রকৃত আনন্দ। বিজয় দিবস সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের দুটি সূরা আমাদের সামনে পড়ে। একটি সূরাতুল ‘ফাতাহ’ (বিজয়), আরেকটি সূরার নাম ‘আন-নাসর’ (মুক্তি ও সাহায্য)। আসলে বিজয়ের যে আনন্দ প্রকাশ তা আল্লাহর শুকরিয়া, আল্লাহর

পবিত্রতা ও বড়ত্ব বর্ণনা করার মাধ্যমেই ইসলাম আমাদের দেয়। ইসলামের ইতিহাস পাঠে জানা যায়, পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত নবির আগমন হয়েছে তারা সবাই সমাজ, দেশ ও জাতির স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। আর এ স্বাধীনতা অত্যাচারী শাসকের দাসত্ব থেকে জাতিকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রেই হোক বা ধর্মীয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রে হোক। এক কথায় বলা যায়, সব ধরনের দাসত্ব ও পরাধীনতা থেকে মুক্ত করাই হচ্ছে আল্লাহতায়ালার প্রেরিত নবিদের কাজ। আমরা জানি, গোলাম মুক্ত করে এবং সর্ব ক্ষেত্রে স্বাধীনতার জন্য যিনি আজীবন লড়াই করে গেছেন এবং শতভাগ সফল হয়েছেন তিনি হলেন বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি হচ্ছেন স্বাধীনতার উজ্জ্বল সূর্য। যার কিরণ দূরদূরান্তে বিস্তার লাভ

করেছে, যিনি নিজের মাঝে সব ধরনের স্বাধীনতাকে ধারণ করেছিলেন। যিনি মানুষকে শুধু বাহ্যিক দাসত্ব থেকেই স্বাধীনতা দেননি বরং সমাজ ও দেশ থেকে সব ধরনের নৈরাজ্য দূর করে সবাইকে করেছিলেন স্বাধীন। বিশ্বের এক বিশাল জনগোষ্ঠী অবলোকন করেছে, কীভাবে বিশ্বনবি (সা.) সর্বত্র স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। স্বাধীনতাকে ইসলাম যেমন গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি দেশপ্রেম ও দেশাত্মবোধকেও অতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং একে ইমানের অংশ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মহানবির (সা.) হৃদয়ে স্বদেশপ্রেম যেমন ছিল, তেমনি তার সাহাবায়ে কেরামদের মাঝেও বিদ্যমান ছিল। তিনি (সা.) মক্কা থেকে মদিনার পথে হিজরতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তার মুখ ফেরালেন জন্মভূমি মক্কার দিকে, যেখানে তিনি নবুয়ত লাভ করেছেন এবং তার

পূর্বপুরুষরা বসবাস করে আসছেন। তিনি বারবার ফিরে তাকাচ্ছেন মক্কার দিকে, চোখ থেকে অশ্রু ঝরছে। মক্কার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে কেঁদে কেঁদে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন ‘হে মক্কা! তুমি আমার কাছে সব স্থান থেকে অধিক প্রিয়, আমি মক্কাকেই ভালোবাসি। আমার মন মানছে না। কিন্তু তোমার লোকেরা আমাকে এখানে থাকতে দিল না, সব কিছুর মালিক তুমি। মক্কার মানুষদের ইমানের আলোয় উজ্জ্বল কর। ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত কর’ (মুসনাদ আহমদ ও তিরমিযি)। একটু ভেবে দেখুন! স্বদেশের প্রতি কতই না গভীর প্রেম ছিল বিশ্বনবির। যে দেশের লোকেরা তার ওপর এত জুলুম-অত্যাচার করেছে তার পরও মাতৃভূমির প্রতি কত অগাদ ভালোবাসা। একেই না বলে স্বদেশপ্রেম। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌম রক্ষায় মহানবি

(সা.) যখনই আহ্বান করেছেন, তখনই সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সর্বোতভাবে এ ডাকে সাড়া দিয়েছেন। তারা জানতেন, নিজেদের বিশ্বাস, আদর্শ ও দ্বীন-ধর্মমত প্রতিষ্ঠার জন্য একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের প্রয়োজন। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য তারা যেমন আন্তরিক ছিলেন, তেমনি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন দেশপ্রেম ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষায়। প্রিয় নবি (সা.) মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এমনকি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিজয়ের চেতনাকে জাগ্রত করে, তাদের মানুষ হিসাবে নিজের পরিচয়, সম্মান, আত্মমর্যাদাবোধ প্রতিষ্ঠা করে দুনিয়ার ইতিহাসে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তিনি যেমন অসংখ্য দাসকে নিজ খরচে মুক্ত করেছেন, তেমনি সমগ্র বিশ্বকে দিয়েছিলেন স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ। বিজয় দিবস আমরা আল্লাহর কৃতজ্ঞতা, দোয়া এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে উদযাপন করার চেষ্টা করতে পারি। মহানবি (সা.) মক্কা বিজয়ের আনন্দে প্রথমেই তিনি আট রাকাআত নফল নামাজ আদায় করেছিলেন। আমরাও পারি রাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে আল্লাহপাকের শুকরিয়া আদায় করে বিজয়ের আনন্দ উদযাপন করতে। লেখক : ইসলামি গবেষক ও কলামিস্ট

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ