ইউপি নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা - বর্ণমালা টেলিভিশন

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা বেড়েই চলেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সহিংসতা, জালভোট, কেন্দ্র দখলসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে তৃতীয় ধাপে ৯৮৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং নয়টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হয়েছে রোববার।

ভোট চলাকালে নীলফামারী, লক্ষ্মীপুর, নরসিংদী ও মুন্সীগঞ্জে হামলা-সংঘর্ষে বিজিবি সদস্য ও ছাত্রলীগ নেতাসহ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। কেবল ঠাকুরগাঁওয়েই নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত হয়েছেন তিনজন। তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে কোনো কোনো জায়গায় সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার জনমনে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোসহ আরও অনেক ধরনের বেআইনি কাণ্ড ঘটানো হয়েছে এ নির্বাচনে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কিছুটা উত্তেজনা বরাবরই থাকে। তবে এবার সহিংসতা যে পর্যায়ে

চলে গেছে, তা চিন্তার বিষয়। জানা গেছে, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইউপি নির্বাচনি সহিংসতায় এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন।

এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলি ও রাবার বুলেট নিক্ষেপে ২০ জন এলাকাবাসী আহত হয়েছেন। এদিকে তৃতীয় ধাপের নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও মডেল হিসাবে উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোট শেষ হওয়ার পর নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব সাংবাদিকদের বলেছেন, সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে; প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় কিছু কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনি সহিংসতা বৃদ্ধির কারণ হিসাবে বিশেষজ্ঞরা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষ্ক্রিয়তাকেই প্রথমত দায়ী করছেন। তাদের মতে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত, বিশৃঙ্খলা ও

হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটছে, তার দায় ইসি কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনি মাঠে দলীয়ভাবে বিএনপি না থাকায় অধিকাংশ স্থানেই রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। তারা নিজেরাই জড়িয়ে পড়ছেন সংঘাতে। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ধরে রাখতে পারছে না বলে মনে করছেন কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হোক, এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। এ প্রত্যাশা তখনই পূরণ হতে পারে, যখন রাজনৈতিক দলসহ নির্বাচনের অন্য অংশীজন তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে। সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয়ের যে ধারা চলমান, এর প্রভাবেও নির্বাচনি সহিংসতা বাড়ছে। কাজেই সমাজে সার্বিকভাবে উচ্চ নৈতিকতা ও উন্নত মূল্যবোধের চর্চা না বাড়লে কোনো নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে

অনুষ্ঠিত হবে কিনা, এ বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা বেড়েই চলেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সহিংসতা, জালভোট, কেন্দ্র দখলসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে তৃতীয় ধাপে ৯৮৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং নয়টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হয়েছে রোববার।

ভোট চলাকালে নীলফামারী, লক্ষ্মীপুর, নরসিংদী ও মুন্সীগঞ্জে হামলা-সংঘর্ষে বিজিবি সদস্য ও ছাত্রলীগ নেতাসহ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। কেবল ঠাকুরগাঁওয়েই নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত হয়েছেন তিনজন। তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে কোনো কোনো জায়গায় সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার জনমনে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোসহ আরও অনেক ধরনের বেআইনি কাণ্ড ঘটানো হয়েছে এ নির্বাচনে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কিছুটা উত্তেজনা বরাবরই থাকে। তবে এবার সহিংসতা যে পর্যায়ে

চলে গেছে, তা চিন্তার বিষয়। জানা গেছে, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইউপি নির্বাচনি সহিংসতায় এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন।

এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলি ও রাবার বুলেট নিক্ষেপে ২০ জন এলাকাবাসী আহত হয়েছেন। এদিকে তৃতীয় ধাপের নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও মডেল হিসাবে উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোট শেষ হওয়ার পর নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব সাংবাদিকদের বলেছেন, সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে; প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় কিছু কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনি সহিংসতা বৃদ্ধির কারণ হিসাবে বিশেষজ্ঞরা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষ্ক্রিয়তাকেই প্রথমত দায়ী করছেন। তাদের মতে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত, বিশৃঙ্খলা ও

হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটছে, তার দায় ইসি কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনি মাঠে দলীয়ভাবে বিএনপি না থাকায় অধিকাংশ স্থানেই রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। তারা নিজেরাই জড়িয়ে পড়ছেন সংঘাতে। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ধরে রাখতে পারছে না বলে মনে করছেন কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হোক, এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। এ প্রত্যাশা তখনই পূরণ হতে পারে, যখন রাজনৈতিক দলসহ নির্বাচনের অন্য অংশীজন তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে। সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয়ের যে ধারা চলমান, এর প্রভাবেও নির্বাচনি সহিংসতা বাড়ছে। কাজেই সমাজে সার্বিকভাবে উচ্চ নৈতিকতা ও উন্নত মূল্যবোধের চর্চা না বাড়লে কোনো নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে

অনুষ্ঠিত হবে কিনা, এ বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

ইউপি নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা

সব অংশীজনকে দায়িত্বশীল হতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:২৫ 81 ভিউ
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা বেড়েই চলেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সহিংসতা, জালভোট, কেন্দ্র দখলসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে তৃতীয় ধাপে ৯৮৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং নয়টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হয়েছে রোববার। ভোট চলাকালে নীলফামারী, লক্ষ্মীপুর, নরসিংদী ও মুন্সীগঞ্জে হামলা-সংঘর্ষে বিজিবি সদস্য ও ছাত্রলীগ নেতাসহ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। কেবল ঠাকুরগাঁওয়েই নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত হয়েছেন তিনজন। তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে কোনো কোনো জায়গায় সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার জনমনে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোসহ আরও অনেক ধরনের বেআইনি কাণ্ড ঘটানো হয়েছে এ নির্বাচনে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কিছুটা উত্তেজনা বরাবরই থাকে। তবে এবার সহিংসতা যে পর্যায়ে

চলে গেছে, তা চিন্তার বিষয়। জানা গেছে, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইউপি নির্বাচনি সহিংসতায় এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলি ও রাবার বুলেট নিক্ষেপে ২০ জন এলাকাবাসী আহত হয়েছেন। এদিকে তৃতীয় ধাপের নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও মডেল হিসাবে উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোট শেষ হওয়ার পর নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব সাংবাদিকদের বলেছেন, সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে; প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় কিছু কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনি সহিংসতা বৃদ্ধির কারণ হিসাবে বিশেষজ্ঞরা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষ্ক্রিয়তাকেই প্রথমত দায়ী করছেন। তাদের মতে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত, বিশৃঙ্খলা ও

হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটছে, তার দায় ইসি কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনি মাঠে দলীয়ভাবে বিএনপি না থাকায় অধিকাংশ স্থানেই রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। তারা নিজেরাই জড়িয়ে পড়ছেন সংঘাতে। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ধরে রাখতে পারছে না বলে মনে করছেন কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হোক, এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। এ প্রত্যাশা তখনই পূরণ হতে পারে, যখন রাজনৈতিক দলসহ নির্বাচনের অন্য অংশীজন তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে। সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয়ের যে ধারা চলমান, এর প্রভাবেও নির্বাচনি সহিংসতা বাড়ছে। কাজেই সমাজে সার্বিকভাবে উচ্চ নৈতিকতা ও উন্নত মূল্যবোধের চর্চা না বাড়লে কোনো নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে

অনুষ্ঠিত হবে কিনা, এ বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ