ঢাকা, Saturday 23 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

ইউএনও ওয়াহিদা খানমের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

প্রকাশিত : 10:23 AM, 4 September 2020 Friday
154 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের উপপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ বদরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অস্ত্রোপচার শেষে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে আইসিইউতে ৭২ ঘণ্টার অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, ওয়াহিদার অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নত।

এদিকে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ইউএনও ওয়াহিদার মাথায় অস্ত্রোপচারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। এর আগে তার সিটিস্ক্যান এবং প্রেসার চেক করে অবস্থা স্বাভাবিক থাকায়

অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। তারা জানান, দুর্বৃত্তের হামলায় ইউএনও ওয়াহিদার মাথার বাঁ দিকটা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাথার কিছু অংশ ভেঙ্গে মস্তিষ্কের ভেতরে প্রেসার তৈরি করেছে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটি অপসারণ করা গেলে অবস্থার উন্নতি হবে এমন আশা থেকে তার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে হসপিটালে চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানমকে দেখতে যান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, ইউএনওদের নিরাপত্তায় সশস্ত্র আনসারের ব্যবস্থা করা হবে। অন্যদিকে গুরুতর আহত ওয়াহিদা খানমের চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আহত ইউএনওর ভাই থানায় মামলা করার জন্য উপজেলায় আসছেন বলে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)

মোঃ আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন। রাতে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবু সালেহ মোঃ মাহফুজুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অপর এক খবরে জানা গেছে, মাঠ প্রশাসনে কর্মরত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিরাপত্তায় তাদের বাসায় সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এ বিষয়ে মুখ্য সচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে। ইউএনওদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্য নিয়োগ করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এর আগের খবরে জানা গেছে, ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে গভীর রাতে সরকারী বাসায় ঢুকে ইউএনও এবং তার মুক্তিযোদ্ধা পিতার ওপর ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ইউএনও মারাত্মক জখম হয়েছেন। তার মাথার

খুলির হাড় ভেঙ্গে ভেতরে মস্তিকে ঢুকে গেছে। এজন্য তার শরীরের অনেক অংশ অবশ হয়ে পড়েছে। তাকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় এনে শেরেবাংলা নগরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স এ্যান্ড হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই মুহূতে তার অস্ত্রোপচার জটিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। আবার তাকে বিদেশে পাঠানোও জটিল। কারণ ততক্ষণে পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তা নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা। তাকে বাঁচানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিভাবে সরকারী বাসভবনের ভেতরে ঢুকে হামলার ঘটনা ঘটল তা জানতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা

হয়েছে। কমিটি কাজ করছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করার পাশাপাশি তাদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই, সিআইডি, থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থা আলামত সংগ্রহ করেছে। আলামতের পর্যালোচনা চলছে।

ইতোমধ্যেই বাড়ির নিরাপত্তা রক্ষীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

বুধবার রাত আড়াইটার দিকে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম (৩৫) ও তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের (৬০) ওপর ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা রাতের আঁধারে সরকারী বাসভবনের পেছনের বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে তাদের মারাত্মক জখম করে। তাদের

সারা গায়ে আঘাতের চিহ্ন। ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে তাদের রক্তাক্ত করা হয়।

আশপাশের সরকারী ভবনের বাসিন্দারা জানান, ইউএনও এবং তার পিতা প্রায় প্রতিদিনই ভোরে হাঁটেন। ইউএনও প্রতিদিন না হাঁটলেও তার পিতা নিয়ম করে রোজ হাঁটেন। বৃহস্পতিবার সকালে তারা হাঁটতে বের না হলে সেখানকার বাসিন্দারা বাড়িতে যান। ডাকাডাকিতে সাঁড়া না পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেন। তাদের উদ্ধারকালে মেঝেতে ইউএনওর তিন বছরের শিশুপুত্র কাঁদছিল।

আহতদের প্রথমে ঘোড়ঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রংপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী সেখানেই চিকিৎসাধীন।

তিনি ১৯ নম্বর নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন। তার মাথা ও শরীরে

ধাতব বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় জনকণ্ঠকে বলেন, ‘আমি ভোর সাড়ে চারটার দিকে নামাজ আদায় করতে উঠি, পাশের ঘর থেকে মেয়ের চিৎকার শুনতে পাই। সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করলে একজন মুখে কাপড় বাঁধা অবস্থায় এসে আমাকে ভয় দেখিয়ে আলমারির চাবি চায়। চাবি না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমার কাছে চাবি নেই বলতেই সে হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করলে আমি লুটিয়ে পড়ি। এরপর আর কিছু বলতে পারি না।’ ইউএনওর বাবা আরও বলেন, ‘ঘোড়াঘাটে মেয়ে একা থাকে। জামাতা মেজবাহুল হোসেন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও। মেয়ের সঙ্গে তিন বছর বয়সী নাতি থাকে। এই উপজেলায়

আড়াই বছর ধরে মেয়ের সঙ্গে থাকছি। মাঝে-মধ্যে নাটোর জেলার মহাদেবপুরের বাড়িতে যাই। আমি মেয়ের সঙ্গে থাকা অবস্থায় আমার মেয়েকে কেউ কোন হুমকি দিয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই।’

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ তোফায়েল হোসেন ভূঁইয়া জনকণ্ঠকে জানান, ইউএনওর মাথার বাম দিকে বেশি আঘাত লেগেছে। সেখানে দেবে যাওয়ায় ডান হাত ও পা অবশ হয়ে গেছে। এছাড়া মাথার পানি গহ্বরে রক্তক্ষরণ হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার নিউরোসাইন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে একটার দিকে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। বেলা আড়াইটার দিকে

তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকার শেরেবাংলা নগর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স ও হাসপাতালের আইসিইউতে। এখানে তিনি অধ্যাপক ডাঃ সিরাজুল ইসলামের অধীনে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানান, নিউরোসাইন্স হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সিরাজী শফিকুল ইসলাম।

হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ কাজী দ্বীন মোহাম্মদ জানান, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন। তার মাথার খুলি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে গেছে। এখনই অস্ত্রোপচার বা বিদেশে নেয়া সম্ভব নয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউএনওর সরকারী বাসভবনের টয়লেটের ভেন্টিলেটর কেটে দুর্বৃত্তরা তার শয়নকক্ষে ঢুকে পড়ে। এর আগে দুর্বৃত্তরা ওই বাসভবনের নিরাপত্তা প্রহরীকে বেঁধে তার কক্ষে তালা দিয়ে আটকে রাখে।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। হামলাকারীদের গ্রেফতারে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইউএনও ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবাকে দুর্বৃত্তরা হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ঘোড়াঘাটের ইউএনও’র সরকারী বাসভবনের দোতলার ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে বাসায় প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। হামলাকারীরা মুখোশ পরা ছিল। দুই হামলাকারীর মুখোশ ছিল। সার্বিক দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে। হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ডাকাতির উদ্দেশ্যে নাকি উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে তা

জানার চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে জেলাটির ডিসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ডিসি তাৎক্ষণিকভাবে এ ধরনের কোন তথ্য দিতে পারেননি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউএনও এবং তার পিতার ওপর হামলার ঘটনাটি রহস্যের জন্ম দিয়েছে। কারণ শত্রুতাবশত হামলা হলে ইউএনও টার্গেট থাকত। আবার পরিকল্পিতভাবে ঘটনা ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দিতেও দুইজনের ওপরই হামলা হতে পারে। ডাকাতির উদ্দেশ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে। বাড়ি থেকে কোন কিছু খোয়া গেছে কিনা তার তদন্ত অব্যাবহ আছে।

দিনাজপুর-৬ আসনের সাংসদ শিবলী সাদিকের ধারণা, এটি কোন ডাকাতির ঘটনা নয়। কারণ ঘরের কোন মালামাল খোয়া যায়নি। তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে। উপজেলায় বড়

কোন শিল্প-কারখানা নেই। অধিকাংশই কৃষক। স্থানীয়ভাবে তার শত্রু থাকার কথা না। ইউএনওর বাড়ি নাটোর জেলায় এবং শ্বশুরবাড়ি নওগাঁ জেলায়।

রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব (যুগ্ম সচিব) জানান, কে বা কারা ঠিক কী কারণে এ হামলা চালিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার তদন্ত করছে। শীঘ্রই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এ হামলার কারণ জানতে দিনাজপুর-৬ আসনের এমপি শিবলী সাদিক, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল আলম, পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনসহ র‌্যাবের কর্মকর্তারা সিসিটিভির ফুটেজসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে যাচাই-বাছাই করছেন। তবে কি কারণে ইউএনও ওপর এমন বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে তা এখন

পর্যন্ত কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।

সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম জানান, সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে হামলাকারীরা দুজন ছিল। তাদের একজনকে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে। আরেকজনের চেহারা বোঝা যাচ্ছিল না। বাড়ির পেছনে ভাঙ্গা ভেন্টিলেটর দিয়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে। এ কাজে তারা একটি মই ব্যবহার করে। বাড়ির পেছনে মইটি পাওয়া গেছে। ওই বাসা থেকে কোন কিছু খোয়া যায়নি। এটি ডাকাতির চেষ্টা, না আক্রোশ থেকে কেউ হামলা করেছে, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দিনাজপুর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ইমাম আবু জাফর জানান, ইতোমধ্যেই সরকারী বাসভবনের নিরাপত্তা প্রহরী পলাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

হামলাকারীরা নিরাপত্তা প্রহরী তার মুখ, হাত পা বেঁধে একটি কক্ষে আটকে রেখেছিল বলে দাবি করেছেন। নিরাপত্তা প্রহরী হামলাকারীদের কাউকেই চিনতে পারেননি বলেও দাবি করেছেন। এমনকি কোনদিন দেখেছেন বলেও মনে হয় না বলে দাবি করেছেন নিরাপত্তা প্রহরী পলাশ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT