আট ইউনিয়নের ৬টিতেই নৌকার পরাজয় - বর্ণমালা টেলিভিশন

বগুড়া সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। আটটি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র দুটিতে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী। অবশিষ্ট ছয়টি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহীদের কাছে পরাজিত হয়েছেন নৌকা মার্কার প্রার্থীরা।

পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল বলেছেন, নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার নির্বাচন না করায় তাদের এ ভরাডুবি হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, বগুড়া সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আদলে বিএনপি প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রশিদুল ইসলাম মৃধা (মোটরসাইকেল) পাঁচ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম নৌকার কামরুল হাসান ডালিম পেয়েছেন তিন হাজার ৯৩৬ ভোট।

লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আবু নাসের পাঁচ হাজার ৮৭৮ ভোট

পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম নৌকা মার্কার আজহারুল হান্নান পেয়েছেন তিন হাজার ৮৪৩ ভোট।

নামুজা ইউনিয়নে নৌকার রফিকুল ইসলাম নয় হাজার ৪৫৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম মোটর সাইকেল মার্কার এসএম রাসেল পেয়েছেন ছয় হাজার এক ভোট।

গোকুল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) জিয়াউর রহমান জিয়া পাঁচ হাজার ৭৫৯ ভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম নৌকা মার্কার প্রার্থী সওকাতুল ইসলাম সরকার পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৮৮ ভোট।

সাবগ্রাম ইউনিয়নে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হয়েছে। এখানে নৌকা মার্কার ইসরাইল হক সরকারকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফরিদ উদ্দিন সরকার (মোটরসাইকেল)।

নিশিন্দারা ইউনিয়নে মোটরসাইকেল মার্কার প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম

ছয় হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার রিজু হোসেন পেয়েছেন মাত্র এক হাজার ৬১২ ভোট।

শাখারিয়া ইউনিয়নে নৌকার এনামুল হক রুমি চার হাজার ৭৯ ভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম আনারস মার্কার নাজমুল হাসান পেয়েছেন তিন হাজার ৮০৬ ভোট।

নুনগোলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) বদরুল আলম বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অটোরিকশা প্রতীকের আবদুর রশিদ। এখানে নৌকার প্রার্থী আলিমুদ্দিন ভোট বর্জন করেও পেয়েছেন ১২২ ভোট।

রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সদর উপজেলার আট ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯৩ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ২৬১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা

করেন। মধ্যরাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে বগুড়া সদরের ছয়টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের পরাজয়ের ঘটনায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কিন্তু বহিষ্কারের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না।

নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, দায়িত্বশীল নেতারা প্রার্থী নির্বাচন ভুল করেছেন। কোনো কোনো ইউনিয়নে অযোগ্য প্রার্থীকে নৌকা দেওয়া হয়েছে। ফলে সেখানে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র আদলে বিএনপির নেতারা বিজয়ী হয়েছেন। আবার অনেকে সব ইউনিয়নের প্রার্থীদের অবজ্ঞা করে শুধু তার নিজের পছন্দের ইউনিয়নের প্রার্থীকে নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। ফলে ৮টির মধ্যে ৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি

মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল জানান, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ খুব শক্তিশালী; তাদের সমর্থিত প্রার্থীদের হারানো সম্ভব নয়। নির্বাচনে প্রার্থী ও নেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং ঐক্য না থাকায় এ ভরাডুবি হয়েছে।

বগুড়া সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। আটটি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র দুটিতে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী। অবশিষ্ট ছয়টি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহীদের কাছে পরাজিত হয়েছেন নৌকা মার্কার প্রার্থীরা।

পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল বলেছেন, নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার নির্বাচন না করায় তাদের এ ভরাডুবি হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, বগুড়া সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আদলে বিএনপি প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রশিদুল ইসলাম মৃধা (মোটরসাইকেল) পাঁচ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম নৌকার কামরুল হাসান ডালিম পেয়েছেন তিন হাজার ৯৩৬ ভোট।

লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আবু নাসের পাঁচ হাজার ৮৭৮ ভোট

পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম নৌকা মার্কার আজহারুল হান্নান পেয়েছেন তিন হাজার ৮৪৩ ভোট।

নামুজা ইউনিয়নে নৌকার রফিকুল ইসলাম নয় হাজার ৪৫৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম মোটর সাইকেল মার্কার এসএম রাসেল পেয়েছেন ছয় হাজার এক ভোট।

গোকুল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) জিয়াউর রহমান জিয়া পাঁচ হাজার ৭৫৯ ভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম নৌকা মার্কার প্রার্থী সওকাতুল ইসলাম সরকার পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৮৮ ভোট।

সাবগ্রাম ইউনিয়নে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হয়েছে। এখানে নৌকা মার্কার ইসরাইল হক সরকারকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফরিদ উদ্দিন সরকার (মোটরসাইকেল)।

নিশিন্দারা ইউনিয়নে মোটরসাইকেল মার্কার প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম

ছয় হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার রিজু হোসেন পেয়েছেন মাত্র এক হাজার ৬১২ ভোট।

শাখারিয়া ইউনিয়নে নৌকার এনামুল হক রুমি চার হাজার ৭৯ ভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম আনারস মার্কার নাজমুল হাসান পেয়েছেন তিন হাজার ৮০৬ ভোট।

নুনগোলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) বদরুল আলম বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অটোরিকশা প্রতীকের আবদুর রশিদ। এখানে নৌকার প্রার্থী আলিমুদ্দিন ভোট বর্জন করেও পেয়েছেন ১২২ ভোট।

রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সদর উপজেলার আট ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯৩ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ২৬১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা

করেন। মধ্যরাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে বগুড়া সদরের ছয়টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের পরাজয়ের ঘটনায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কিন্তু বহিষ্কারের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না।

নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, দায়িত্বশীল নেতারা প্রার্থী নির্বাচন ভুল করেছেন। কোনো কোনো ইউনিয়নে অযোগ্য প্রার্থীকে নৌকা দেওয়া হয়েছে। ফলে সেখানে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র আদলে বিএনপির নেতারা বিজয়ী হয়েছেন। আবার অনেকে সব ইউনিয়নের প্রার্থীদের অবজ্ঞা করে শুধু তার নিজের পছন্দের ইউনিয়নের প্রার্থীকে নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। ফলে ৮টির মধ্যে ৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি

মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল জানান, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ খুব শক্তিশালী; তাদের সমর্থিত প্রার্থীদের হারানো সম্ভব নয়। নির্বাচনে প্রার্থী ও নেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং ঐক্য না থাকায় এ ভরাডুবি হয়েছে।

আট ইউনিয়নের ৬টিতেই নৌকার পরাজয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:৩০ 86 ভিউ
বগুড়া সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। আটটি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র দুটিতে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী। অবশিষ্ট ছয়টি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহীদের কাছে পরাজিত হয়েছেন নৌকা মার্কার প্রার্থীরা। পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল বলেছেন, নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার নির্বাচন না করায় তাদের এ ভরাডুবি হয়েছে। নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, বগুড়া সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আদলে বিএনপি প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রশিদুল ইসলাম মৃধা (মোটরসাইকেল) পাঁচ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম নৌকার কামরুল হাসান ডালিম পেয়েছেন তিন হাজার ৯৩৬ ভোট। লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আবু নাসের পাঁচ হাজার ৮৭৮ ভোট

পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম নৌকা মার্কার আজহারুল হান্নান পেয়েছেন তিন হাজার ৮৪৩ ভোট। নামুজা ইউনিয়নে নৌকার রফিকুল ইসলাম নয় হাজার ৪৫৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম মোটর সাইকেল মার্কার এসএম রাসেল পেয়েছেন ছয় হাজার এক ভোট। গোকুল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) জিয়াউর রহমান জিয়া পাঁচ হাজার ৭৫৯ ভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম নৌকা মার্কার প্রার্থী সওকাতুল ইসলাম সরকার পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৮৮ ভোট। সাবগ্রাম ইউনিয়নে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হয়েছে। এখানে নৌকা মার্কার ইসরাইল হক সরকারকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফরিদ উদ্দিন সরকার (মোটরসাইকেল)। নিশিন্দারা ইউনিয়নে মোটরসাইকেল মার্কার প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম

ছয় হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার রিজু হোসেন পেয়েছেন মাত্র এক হাজার ৬১২ ভোট। শাখারিয়া ইউনিয়নে নৌকার এনামুল হক রুমি চার হাজার ৭৯ ভোটে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম আনারস মার্কার নাজমুল হাসান পেয়েছেন তিন হাজার ৮০৬ ভোট। নুনগোলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) বদরুল আলম বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অটোরিকশা প্রতীকের আবদুর রশিদ। এখানে নৌকার প্রার্থী আলিমুদ্দিন ভোট বর্জন করেও পেয়েছেন ১২২ ভোট। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সদর উপজেলার আট ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯৩ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ২৬১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা

করেন। মধ্যরাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে বগুড়া সদরের ছয়টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের পরাজয়ের ঘটনায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কিন্তু বহিষ্কারের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না। নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, দায়িত্বশীল নেতারা প্রার্থী নির্বাচন ভুল করেছেন। কোনো কোনো ইউনিয়নে অযোগ্য প্রার্থীকে নৌকা দেওয়া হয়েছে। ফলে সেখানে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র আদলে বিএনপির নেতারা বিজয়ী হয়েছেন। আবার অনেকে সব ইউনিয়নের প্রার্থীদের অবজ্ঞা করে শুধু তার নিজের পছন্দের ইউনিয়নের প্রার্থীকে নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। ফলে ৮টির মধ্যে ৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি

মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল জানান, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ খুব শক্তিশালী; তাদের সমর্থিত প্রার্থীদের হারানো সম্ভব নয়। নির্বাচনে প্রার্থী ও নেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং ঐক্য না থাকায় এ ভরাডুবি হয়েছে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ