ঢাকা, Wednesday 22 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

অবসরে যেয়েও থেমে নেই, ফেরিওয়ালা হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন

প্রকাশিত : 11:35 AM, 13 October 2020 Tuesday
59 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

‘আমার যেটুকু সাধ্য, করিব তা আমি’ -রবীন্দ্রনাথের এ অমিয় বাণীকে জীবনের পাথেয় করে নিয়েছেন বিদ্যাব্রতী মতীন্দ্র সরকার। সুদীর্ঘকাল শিক্ষকতার পর কর্মস্থল থেকে অবসর নিলেও আলোকিত সমাজ গঠনের দায়িত্ব থেকে একটুও অবসর নেননি। ‘বানপ্রস্থ’ নামক নিজ বাড়ির উঠানে, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সভা-সেমিনারে প্রতিনিয়ত পড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। একজন আদর্শ শিক্ষক, সমাজ চিন্তক, রবীন্দ্র গবেষক এবং দক্ষ সাহিত্য ও সংস্কৃতিকর্মী হিসেবে রেখে চলেছেন নিঃস্বার্থ অবদান। কেবল শিক্ষার্থীদের কাছেই নন, সমাজের সবার কাছেই তিনি এক প্রিয় শিক্ষক।

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকারের অনুজ অধ্যাপক মতীন্দ্র সরকারের জন্ম ১৯৪০ সালের ৪ এপ্রিল নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দপাড়া

গ্রামে। বাবা জ্ঞানেন্দ্র চন্দ্র সরকার এবং মা বিমলা বালা সরকার স্বল্পশিক্ষিত ছিলেন, কিন্তু বাড়িতে গল্প-উপন্যাসসহ ধর্মভিত্তিক বই পড়তেন। তাদের দেখাদেখি মতীন্দ্র সরকারও শৈশবেই পড়ার প্রতি মনযোগী হন। পরবর্তীতে স্কুলের বিতর্ক, আবৃত্তি, বক্তৃতা প্রভৃতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে বাড়ে উৎসাহ। এরপর জীবনের পথপ্রদর্শক হিসেবে সামনে আসেন তিন শিক্ষক- বেখৈরহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভূগোলের শিক্ষক আব্দুর রহমান, বারহাট্টার সিকেপি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুখলেছুর রহমান এবং নেত্রকোনা কলেজের বাংলার শিক্ষক শামছুদ্দিন আহমেদ। এ তিন গুণী ও আদর্শ শিক্ষকের স্নেহ, বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান এবং পড়ানোর স্টাইল দেখে বুঝে যান- শিক্ষকতাই সমাজের সর্বোত্তম পেশা। এ পেশায় প্রচুর পড়াশোনা এবং অন্যকে উদ্বুদ্ধ

করার সুযোগ আছে। মানুষকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ আছে। তাই একদিন নিজেও শিক্ষক হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর (এমএ) পাস করা মতীন্দ্র সরকারের শিক্ষকতা জীবন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে সুনামগঞ্জের বাদশাহগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে। এরপর ১৯৬৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩২ বছর জামালপুরের মাদারগঞ্জ এ এইচ জেড কলেজ, টাঙ্গাইলের কাগমারির মৌলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ, হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারী কলেজ ও নেত্রকোনা সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। ২০০০ সালে সরকারী চাকরি থেকে অবসর নিলেও নেত্রকোনা সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনুরোধে আরও দুইবছর খণ্ডকালীন শিক্ষকতা

করতে হয় তাকে। এরপর ২০০৫ সাল থেকে আরও প্রায় সাত বছর অধ্যক্ষ হিসেবে পরিচালনা করেন নেত্রকোনা শহরের কাটলী গ্রামে প্রতিষ্ঠিত অন্বেষা বিদ্যালয় নামে একটি শিশু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরবর্তী দুই বছর (২০১৭-২০১৮) অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন নেত্রকোনার ওয়েসিস-বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলে। অবসর গ্রহণের পরও এসব করতে হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিশিষ্টজনদের অনুরোধে।

পেশায় সাহিত্যের অধ্যাপক হলেও তার অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টি সাহিত্যকে ছাপিয়ে প্রসারিত হয়েছে শিক্ষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, দর্শন, রাজনীতির বিস্তৃত পরিসরে। ছাত্রজীবনেই প্রগতিশীল ধ্যান-ধারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন আবৃত্তি, বিতর্ক, নাটক, লেখালেখি, সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনাসহ সংস্কৃতির নানা শাখা-প্রশাখায়। নেত্রকোনা কলেজে পড়াকালে প্রথমে ছাত্র সংসদের বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক এবং পরে

ভিপির (১৯৬২) দায়িত্ব পালন করেন। আনন্দমোহন কলেজে পড়াকালে সমমনা শিক্ষার্থীদের নিয়ে ময়মনসিংহে প্রতিষ্ঠা করেন ‘আমরা সূর্যমুখি’, ‘সুন্দরম সাহিত্য গোষ্ঠী’ ও ‘চরৈবেতি’সহ কয়েকটি সংগঠন। পরবর্তীতে শিক্ষকতার চাকরিকালে বিভিন্ন স্থানে গড়ে তুলেছেন অনেক প্রগতিশীল সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের ‘উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’, ‘বাংলাদেশ সোভিয়েত মৈত্রী সমিতি’, হবিগঞ্জের ‘উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’, ‘শব্দশিল্পী’ ও ‘কবি গোলাম মর্ত্তুজা স্মৃতি সংসদ’ অন্যতম। নেত্রকোনাতেও দীর্ঘদিন ‘রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলনী পরিষদ’, ‘নেত্রকোনা সাহিত্য সমাজ’, ‘দুর্র্নীতি প্রতিরোধ কমিটি’, ‘সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান’, ‘স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি’, ‘উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’, ‘প্রবীণ হিতৈষী সংঘ’সহ বেশকিছু প্রগতিশীল সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এখনও করছেন। রবীন্দ্র সাহিত্যেও ওপর রয়েছে তার অগাধ পাণ্ডিত্য। অধ্যাপনা জীবনে উপলব্ধি

করেন- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় রবীন্দ্রসাহিত্যের চর্চা খুব অপ্রতুল। উচ্চতর শ্রেণীতেও যা পড়ানো হয়- তা সমগ্র রবীন্দ্রসাহিত্যের ক্ষুদ্রতম অংশ মাত্র। আর এ উপলব্ধি থেকেই ২০১১ সালে গড়ে তুলেন ‘রবীন্দ্র চর্চা কেন্দ্র’- যাতে আছে বিপুলসংখ্যক বইয়ের সমাহার। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য পাঠ ও আলোচনা-পর্যালোচনা করে একটি সমঝদার গোষ্ঠী গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত নেত্রকোনার ‘রবীন্দ্র চর্চা কেন্দ্র’ এখন রবীন্দ্রপ্রেমীদের মিলনমেলা।

আশি পেরোনো শিক্ষক মতীন্দ্র সরকার চাকরি থেকে অবসর নিলেও বাস্তবে একটুও অবসর নেননি। তার দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে সভা-সেমিনারে বক্তৃতা করে। নেত্রকোনা শহরে জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন সংগঠনের সকল অনুষ্ঠানের নিয়মিত বক্তা তিনি। নিষ্প্রাণ সভাও চাঙ্গা হয় তার বক্তৃতায়।

তাই আয়োজকরা মনে করেন, মতীন্দ্র সরকারের বক্তৃতা না থাকলে অনুষ্ঠানই জমে না। এ কারণে প্রায়দিনই সকালের নাস্তা সেরে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়তে হয় তাকে। কখনও কখনও দিনে তিন-চারটি অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করতে হয়। সভা-সমাবেশ শেষ করে প্রায়দিনই রাত করে বাড়ি ফিরতে হয় তাকে। কিন্তু তাতে কোন ক্লান্তি আসে না তার। এ প্রসঙ্গে মতীন্দ্র সরকার বলেন, ‘লেকচার দেয়া ছাড়া আর তো কিছু শিখিনি। তাই যেখানে সুযোগ পাই- সেখানেই লেকচার দিই। দিয়ে এক ধরনের শান্তি পাই। এতে একজনেরও যদি লাভ হয় তবে আমার ক্ষতি কী?’

নেত্রকোনার একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা রতীশ মজুমদার উজ্জ্বল বলেন, ‘মতীন্দ্র স্যার গতানুগতিক ধারার বক্তা

নন। তার বক্তৃতায় অনেক শিক্ষণীয় উপাদান থাকে। তিনি যখন বক্তৃতা করেন- তখন শ্রোতা কায়মনোবাক্যে কামনা করেন কথকের কথামালা যেন আরও প্রসারিত হয়। তার কথা শুনতে শুনতে মনের গহীনে এক ধরনের আবহ তৈরি হয়। প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ তার কাছে গৌণ। মুখ্য হয়ে ওঠে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান।’ জেলা সদরের ভূমি বিভাগের কর্মকর্তা এনামুল হক পলাশ বলেন, ‘মতীন্দ্র স্যার হচ্ছেন এ যুগের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। তার কথায় মুগ্ধ হয়ে যারা তার পিছু নিয়েছেন- তারা প্রত্যেকে আলোকিত জীবনের সন্ধান পেয়েছেন। তিনি কালের শিক্ষক। এমন শিক্ষক সমাজে বিরল।’

এদিকে নেত্রকোনা শহরের সাতপাই এলাকায় অবস্থিত তার ‘বানপ্রস্থ’ নামক বাসাটিও যেন এক বিকল্প পাঠশালা। সেখানে প্রতিদিন

তার দূর-দূরান্তের অগণিত শিক্ষার্থী (যারা এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত) এবং তরুণ-তরুণীরা এসে ভিড় করেন। তারা প্রিয় শিক্ষকের কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয়ের পাঠ এবং পরামর্শ নিতে আসেন। অনেক অভিভাবক তাদের ছেলে-মেয়েদের পাঠান জীবনের পাঠ গ্রহণের জন্য। বানপ্রস্থে একবার গেলে যে কারও মনে হবে- এ যেন সত্যিই এক জীবনের পাঠশালা, যেখানে দশ বছরের শিশু থেকে শুরু করে অশীতিপর বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই শিক্ষার্থী। মাঝে মাঝে তিনি বানপ্রস্থে রবীন্দ্র সাহিত্য, নজরুল সাহিত্য, সুকান্ত সাহিত্যসহ সাহিত্য-সংস্কৃতির নানা বিষয় নিয়ে মুক্ত আলোচনা, সঙ্গীত, আবৃত্তি, বিতর্ক প্রভৃতির আয়োজন করেন। তাই বলা চলে, মতীন্দ্র সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেমন বিশাল, তেমনি অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার্থীর

সংখ্যাও নিতান্ত কম নয়।

শিক্ষকতা এবং বক্তৃতা করার পাশাপাশি মতীন্দ্র সরকারের আরেকটি শখ বাগান এবং লেখালেখি করা। নিজ বাসায় গড়ে তুলেছেন বিরল প্রজাতির ফুল, ফল ও ওষুধী গাছের দৃষ্টিনন্দন বাগান। তিনি নিজেই এ-সবের পরিচর্যা করেন। মতীন্দ্র সরকারের বাসায় এমন অনেক প্রজাতির গাছ আছে- যা আর কোথায়ও সচরাচর পাওয়া যায় না। একটু অবসর পেলেই তিনি বই পড়েন অথবা লেখালেখি করেন। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বইগুলো হচ্ছে- কালান্তরে শিক্ষা, বর্ণমালার ছাড়া, দ্বাদশ পংক্তির ছড়া। এছাড়াও অনুবাদ করেছেন জিদ্দু কৃষ্ণমূর্তির লেখা ‘জীবনের তাৎপর্য এবং শিক্ষা’ ও ইতালিয়ান কিছু শিক্ষার্থীর লেখা ‘শিক্ষক মহাশয় শুনুন’ নামে আরও দুটি বই। নিজের টাকায় অনেক

বই কিনে তিনি তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের পড়তে দেন।

মতীন্দ্র সরকার মনে করেন, শিক্ষকতা হচ্ছে একটি মহোত্তম পেশা। কারণ একজন ব্যক্তি শিক্ষক হয়ে উঠতে গিয়ে মানুষের কাছ থেকে যা অর্জন করে- তার একটি অংশ আবার সে নতুন করে তাদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে পারে। এর বাইরে সমাজের বেশিরভাগ পেশাই অর্থ উপার্জনের জন্য।

তিনি বলেন, ‘আমি আমার চাকরিকালে, এমনকি এখনও আমার ছাত্র-ছাত্রী বা আমার সান্নিধ্যে আসা তরুণ-তরুণীদের শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নিতে উদ্বুদ্ধ করি। তাদের উপলব্ধি করাতে চেষ্টা করি- বেঁচে থাকার জন্য খুব বেশি অর্থের দরকার নেই। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা- এ মৌলিক চাহিদাগুলো ঠিকমতো পূরণ করতে পারলেই হলো।

বর্তমানকালে শিক্ষকতায় থেকে এ সব চাহিদাই পূরণ করা সম্ভব। আর এর বাইরে বাড়তি পাওনাটা হলো প্রচুর জ্ঞানার্জন- যা অন্য কোন পেশায় থেকে সম্ভব নয়।’ তিনি ত্রিশাল কলেজের শিক্ষক ও বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক খগেশ কিরণ তালুকদার, আনন্দমোহন সরকারী কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুর রফিক, ফারজানা খানম মুক্তা, নেত্রকোনার সরকারী কলেজের গোলাম মোস্তফা, মদন সরকারী কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ খায়রুল হক, লিবার্টি কলেজের শিক্ষক শাহ মোঃ আব্দুল বাকীসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘এমন আরও অনেকেই আমার অনুপ্রেরণায়ই শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এরা প্রত্যেকে এখন স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয় শিক্ষক। এসব ছাত্রদের নিয়ে আমি গর্ব করি।’

মতীন্দ্র সরকারের

ছাত্র নেত্রকোনা সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘মতীন্দ্র সরকার মূলত অর্গানিক শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবী। তার সান্নিধ্যে এসে আমরা প্রচলিত শিক্ষার ভেতরেও জীবনমুখী শিক্ষা অর্জনের একটা পরিশ্রমী বোধ ও ধারণা অর্জন করতে পেরেছি। মুখস্ত বিদ্যার জড় অনুভব থেকে মুক্তি পেয়েছি। সহজাত সৃজনশীলতায় অনুধ্যানী হয়েছি। ইচ্ছা ও আশাবাদ নিয়ে তিনি পুরো জীবনটাই প্রাকৃতজনের মন ও মননের সমৃদ্ধিতে প্রবাহিত করেছেন।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT