জেএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

২৫ অক্টোবর ২০১৭, ৪:০৯ অপরাহ্ণ

মো.আব্দুল বাতেন
সহকারী শিক্ষক
বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড হাইস্কুল, বগুড়া।
প্রিয় জেএসসি পরীক্ষার্থীবৃন্দ, তোমাদের জন্য আজ আমাদের আয়োজন কীভাবে সৃজনশীল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়।
তোমরা এতদিনে সবাই জেনে গেছ যে, একটি কাঠামোবদ্ধ সৃজনশীল প্রশ্নে ৪টি অংশ (ক. জ্ঞানমূলক,খ. অনুধাবনমূলক,গ. প্রয়োগমূলক ও ঘ. উচ্চতর চিন্তন দক্ষতামূলক)। ‘ক’ অংশে শুধু জ্ঞানস্তর যাচাই করার জন্য ১ নম্বরের প্রশ্ন করা হয়। এই অংশের উত্তর পাঠ্যবই এ সরাসরি পাওয়া যায়। ‘খ’ অংশে জ্ঞান ও অনুধাবন স্তরের জন্য ২ নম্বরের প্রশ্ন করা হয় যেখানে ১ নম্বরের জ্ঞানস্তর যাচাই করার জন্য যার উত্তর পাঠ্যবই এ সরাসরি পাওয়া যাবে এবং বাকি ১ নম্বর অনুধাবন থেকে প্রশ্ন করা হয় এ অংশের উত্তরের জন্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে অর্জিত জ্ঞান দিয়ে বুঝে নিজের ভাষায় লিখতে হবে। ‘গ’ অংশে জ্ঞান ১ নম্বর, অনুধাবন ১ নম্বরও প্রয়োগ স্তরের জন্য ১ নম্বর নিয়ে মোট ৩ নম্বরের প্রশ্ন করা হয়। ‘গ’ নং প্রশ্নের উত্তরের জন্য তোমাকে নতুন পরিস্থিতি (উদ্দীপক/ দৃশ্যকল্প) ভাল করে পড়ে বুঝতে হবে। সাধারণত পাঠ্যবইয়ের নির্দিষ্ট কোন ধারণা, তথ্য, তত্ত্ব, সূত্র, নিয়ম, নীতি, সংজ্ঞা ইত্যাদি তোমরা কেমন বুঝতে  পেরেছ তা যাচাই করার জন্য নতুন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়।
কিন্তু তুমি যদি পাঠ্যবই এর সহায়তা না নিয়ে শুধু বাস্তব অভিজ্ঞতায় উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করতে তা হলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব হবে না। সৃজনশীল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার জন্য তোমাকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।
সৃজনশীল প্রশ্ন কাঠামোতে দেখা যায়, ৪টি অংশেরই প্রথমে জ্ঞান স্তরের প্রশ্ন থাকে যা পাঠ্যবইয়ের সাহায্য ছাড়া  কোনভাবেই উত্তর করা যায় না। আবার ক, খ, গ ও ঘ এর প্রতিটি প্রশ্নের প্রথম অংশে যেহেতু জ্ঞানমূলক প্রশ্ন করা হয় সেহেতু এই অংশের উত্তর না জানলে বা পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়া না থাকলে বা কি অংশের উত্তর দেয়া সম্ভব নয়। কেননা জ্ঞান অংশের সাহায্যেই অন্যান্য স্তরের উত্তর  দেয়া সম্ভব।