ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদ উল আজহা

৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ | আপডেট:  ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ১৭:৪৩ অপরাহ্ণ

ত্যাগের মহিমায় আবারও এলো ঈদ উল আজহা। ঈদ মানে ধনী-দরিদ্র মিলে মিশে এক সাম্যের আনন্দ। পেছনের দুঃখ দুর্দশাকে ভুলে গিয়ে আনন্দের উৎসবে মিলিত হওয়াই ঈদ। ঈদ-উল-আজহার আছে আরেক বিশেষ দিক। এদিন মহান আল্লাহতালার উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি দেয়া হয়। ঈদ উল আজহার তাৎপর্য তাই মুসলিমদের কাছে বিশেষ অর্থ বহন করে। ঈদ আনন্দের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে: ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষের নিকট উৎসবের আমেজ। বাঙালির জীবনে ঈদ সার্বজনীন রূপ লাভ করে থাকে। ধনী-গরিবের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একই কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উৎসবের আনন্দ বাঙালির জীবনে ভিন্নমাত্রা প্রদান করে থাকে। এবারের ঈদ এলো রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অসহায় আর্তনাদ আর বন্যায় নিঃশেষ হওয়া মানুষের কান্না নিয়ে। এ ঈদে তাদের কথাও মনে রাখতে হবে। কোরবানি ঈদের মূল তাৎপর্য যেন হয় মনের পশুকে কোরবানি দিয়ে মানবতা, সহমর্মিতা আর কল্যাণের উদ্ভাসন। এই উৎসব আনন্দে আমরা যেনো ভুলে না যাই দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যা দুর্গত মানুষের কথা। তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখিয়ে আমরা যেন তাদের পাশে দাঁড়াই। রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিশ্ব যেন প্রতিবাদমুখর হয় সেটা হোক এ ঈদের চাওয়া। বানভাসি মানুষের ঈদ যেন ম্লান না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ত্যাগের মহিমায় যেন প্রকৃতই মানবতার জয়গানে উদ্ভাসিত হই আমরা সবাই। এবারের ঈদে এটাই যেন হয় সকলের আনন্দ উৎসবের মূলমন্ত্র।