নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আজকের প্রজন্মের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ

১৮ অক্টোবর ২০১৭, ২:০৮ অপরাহ্ণ  | নিউজটি পড়া হয়েছে : 85 বার

দেশে বিদ্যমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্য নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) অনেক দ্রুততার সঙ্গেই এগিয়ে চলছে উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টি নোয়াখালীবাসির জীবনধারা বহুমাত্রিক গতিবেগ সঞ্চারে পাশাপাশি দেশের প্রযুক্ত সেক্টরের সম্প্রসারণে অগ্রণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড় প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বের সঙ্গ তাল মিলিয়ে উচ্চশিক্ষা গবেষণার বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার উম্মোচন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে এভাবে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠা তথা অবকাঠামোগতভাবে উন্নত একাডেমিকভাবে আধুনিক গবেষণাবান্ধব করে গড়ে তুলত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এর উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান। উপাচার্য দৃঢ়ভাব বিশ্বাস করেন ‘নোয়াখাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল হবে উন্নত আধুনিকতম একটি বিশ্ববিদ্যালয় , এটি হবে আজকে প্রজন্মের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ’ যেকোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে একজন সৎ, একাডেমিশিয়ান সর্বোপরি নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক উপাচার্যের ভূমিক অনস্বীকার্য। কারণ উপাচার্যর হলেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কারিগর যাদের সুদক্ষ নেতৃত্ব পরিচালনায় প্রতিষ্ঠান উন্নতি দিকে এগিয়ে চলে। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস তেমনি এক প্রবাদপ্রতীম উপাচার্য হলেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ প্রফেস ড. এম অহিদুজ্জামান যিনি একাধারে প্রথিতযশ শিক্ষাব্যক্তিত্ব, মিডিয়া মুখ গবেষক। উপাচার্য হিসেবে ২০১0 সালের জুন মাসে দায়িত্ব গ্রহণে পর থেকেই তিনি নোবিপ্রবিক একটি স্থবির, বিশৃঙ্খল, অবস্থ থেকে মুক্ত করে সুষ্ঠুভাব পরিচালনা করে আসছেন। ২০০১ এ ১৫ জুলাই সংসদে আইন জারি এব ২২ জুন, ২০০৬ সালে একাডেমি কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এ দীর্ঘ সময় আরো চার উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা দায়িত্বে ছিলেন। বলা হয়ে থাক বিশ্ববিদ্যালয়টি শুরু থেকেই নান অনিয়মের মধ্য দিয়ে চলে আসছিল কিন্তু বর্তমান উপাচার্যে সময়কালে এখানে সকলক্ষেত্র শৃঙ্খলার সঙ্গে পরিচালনা কর হচ্ছে। ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝ সম্পর্ক উন্নয়ন, ছাত্র-শিক্ষককর্মকর্তা-কর্মচারী সকলের ভেতর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রে জাগ্রত করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবে ও মান নিশ্চিত করা হয়েছে।
যুগোপযোগী ও উন্নতমানের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে নোবিপ্রবিত শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্র মেধাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকা দিয়ে বিদেশের বিশ্ববিদ্যাল থেকে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইচড এমফিল, এমএস শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে প্রায় পাঁচ হাজার মেধাব শিক্ষার্থীর পাঠদানে এখান নিয়োজিত আছেন ২১৫ জন শিক্ষক এর মধ্যে ৫০ জনই রয়েছে পিএইচডিসহ উচ্চতর ডিগ্রীধার শিক্ষক ও গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার (ভিক্টোরিওপিস ব্রুনেইসিস) নামে নতুন অমেরুদ- প্রাণীর উদ্ভাবন এবং গাছে শিকডে আলু আর টমেটো নামে ‘পমেটো’ সবজি আবিষ্কার গবেষণায় এখানকার শিক্ষকরা য অগ্রণ্য তার প্রমাণ জার্নাল অ নোয়াখালী সায়েন্স এন্ টেকনোলজি ইউনিভার্সিট ‘’ গবেষণ জার্নাল নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে নোবিপ্রবিতে বর্তমানে ৫টি অনুষদ, ২৪টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউট নিয়ে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সমুদ্রসম্পদ কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে উচ্চতর পাঠদান ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে এখানে খোলা হয়েছ ওশানোগ্রাফি বিভাগ। বর্তমান বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে এখানে খোলা হয়েছ সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা উজ্জ্বল বাংলাদেশ; আর এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নোবিপ্রবিতে চালু করা হয়েছ টুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। সাধার শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারে প্রতি লক্ষ্য রেখে নতুন করে খোল হয়েছে ব্যাচেলর অব এডুকেশ (অনার্স), ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশ সিস্টেমস এবং সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ। এখানে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি, কৃষি লাইব্রেরী সায়েন্স, আইআইট বিষয়ে পড়ানো হয়। এছাড়া আছে ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশ ইঞ্জিনিয়ারিং। চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০১৭-১৮) এবারের নতুন ৫টি বিষয় সফ্টওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, শিক্ষা বিভাগ টুরিজম এন্ড হসপিটালিট ম্যানেজমেন্ট, ম্যানেজমেন্ ইনফরমেশন সিস্টেম এব সমাজবিজ্ঞান সহ মোট ২৪টি বিষয়ে ১২০০ আসনে শিক্ষার্থীর নোবিপ্রবিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। ভর্তি পরীক্ষা আগামী এবং ৪ নভেম্বর ২০১৭ অনুষ্ঠিত হবে এখানে উল্লেখ্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয় বড় অর্জন হলো এই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত ডিজিটাল পদ্ধতি অবলম্বনে মাধ্যমেই তা সম্ভব হয়েছে। তা দেশের সেরা মেধাবী শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি সুযোগ পাচ্ছে। নোবিপ্রবিত আগামী সেশনে রোবোটিক্ মেকাট্রনিক্সের মতো প্রযুক্ত নির্ভর আন্তর্জাতিক বিষয় চালু পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি জ্ঞানের পাশাপাশি দেশমাতৃক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে ‘স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ইতিহাস’ নামে একটি বাধ্যতামূলক কোর্স চালু আছে। এছাড়া গ সেশনে ‘বাংলাদেশ এন্ লিবারেশন ওয়ার স্টাডিজ বিভা নামে বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো একমাত্র নোবিপ্রবিতেই এ বিভা খোলা হয়। যুগের সাথে তা মিলিয়ে সকল বিভাগের কোর্ কারিকুলামকে ঢেলে সাজান হয়েছে যাতে এখান থেকে শিক্ষার্থীরা উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে দেশে-বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করতে পারে। উল্লেখ করা মতো বিষয় নোবিপ্রবিতে থেক পাস করা শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্য দেশের অন্যন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পাশাপাশি সরকারের পররাষ্ট্ কৃষি, মৎস্য, শিক্ষাসহ অন্যান্ ক্যাডার সার্ভিসমূহে সুনামে সঙ্গে দেশসেবায় নিয়োজিত বললে অত্যুক্তি হবে, এখানকার শিক্ষার্থীই পৃথিবীর বিখ্যাত মাইক্রোসফটের মত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য হিসেব যুক্তরাষ্ট্রে প্রকৌশলী হিসেব কর্মরত আছে। এছাড়া নোবিপ্রবির ছাত্র-ছাত্রীর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং ইউরোপের নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএস, পিইচডি ফেলোশিপ কোর্সে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা যাতে করে আর বেশি পরিমাণে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালসমূহে অধ্যায়নে সুযোগ পায় সে বিবেচনায় চেক প্রজাতন্ত্রের ইউনিভার্সিটি অ সাউথ বোহেমিয়া, যুক্তরাজ্যে গ্লাডিয়া এঙ্গলিয়া রাসকি স্টারলিং এবং নর্থ ওয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা সমন্বয় কার্যক্রম চালু করেছ নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই জাপানের কুমামোত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শাকুরা একচেঞ্ প্রোগ্রাম ইন সায়েন্স’ এর জন্ মনোনীত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়েরই দুই শিক্ষার্থী
একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি বিশ্বিদ্যালয়ের ভৌত ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন অনেকদূর এগিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাঙ্গীন উন্নয়নে ২৩৮ কোটি ৪ লাখ টাকার প্রকল্পের নানামুখ উন্নয়ন কাজ যেমন- শিক্ষার্থীদে ক্লাসরুম, উন্নতমানের বহু গ্রন্থাগার, সেমিনার রুম, রিডি রুম, ওয়াইফাই ও ইন্টারনেট সুবিধ ক্যান্টিন, পরিবহন সুবিধা, পূর্বে ২টি সহ আরো নতুন ৩টি হল নির্মাণ ও ল্যাব ফ্যসিলিটি ইতিমধ্যে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ ভবনসমূহের ঊর্ধ্বমূখী সম্প্রসার কাজ, নতুন নতুন প্রকল্প নির্ধারণ বাস্তবায়ন, আইসিটি ল্যা মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠ মসজিদ ও উপাসনালয় নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ এগিয় চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা, যেন একখন্ড- জমিও চাষে বাহিরে না থাকে। তদানুযায় নোবিপ্রবির খালি জায়গাক চাষাবাদের আওতায় আনা হয়েছে সেখানে ধান ও সবজি চাষ কর হয়েছে। এছাড়া জমিতে কৃষি বিভাগ এবং ফুড এন্ড নিউট্রিশ সায়েন্সের শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন প্রজাতি আবিষ্কারের গবেষণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ভৌত সুবিধা বৃদ্ধির চেষ্টার অংশ হিসেবে বর্তমানে নোবিপ্রবিত বাংলাদেশের বৃহত্তম ৪ লাখ ৩ হাজার দুই’শ বর্গফুট আয়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবু রহমান একাডেমিক কাম ল্যাব ভব নির্মাণ করা হচ্ছে। শিক্ষককর্মকর্তাদের ১০ তলা কোয়াটার নির্মাণের টেন্ডার কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে। যেখানে শিক্ষক কর্মকর্তাদের জন্য ৮০টি আধুনিক ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা থাকবে পাশাপাশি কর্মচারীদর জন্য ৮০ট ফ্ল্যাট সমৃদ্ধ একটি সুবিশাল ভব নির্মাণের কাজও হাতে নেয় হয়েছে। সম্প্রতি নোবিপ্রবি’ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদে বাড়ি নির্মাণ, জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয় এর সুবিধার্তে অগ্রণী ব্যাংক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে ৫০ কোট টাকার কর্পোরেট হোলসেল ঋণচুক্তি সম্পাদন করা হয়। ফলে নোবিপ্রবি পরিবারের সদস্যদের গৃহনির্মাণ ঋণ নেয়ার পথে আর কোনো বাধা থাকলো না। বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতী অভ্যন্তরিণ কর্মযজ্ঞ সম্পাদনে পাশাপাশি দেশের জাতী বিপযর্য় মোকাবেলায়ও এগিয় রয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। দেশে উত্তরাঞ্চলের বন্যাকবলিতদের সহায়তায় সাহায্যের হা বাড়িয়েছে নোবিপ্রবি পরিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দে একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থসহ মোট ৬ লাখ টাক বন্যাদুর্গতদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলে প্রদাণ করা হয়। শুধু তাই নয় মিয়ানমারে নির্যাতিত জাতিগোষ্ঠ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা ‘ত্রাণ তহবিল সমন্বয় কমিটি’ গঠ করা হয়েছে। এ বছরের ৩০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-২০১ অর্থবছরের জন্য ৪৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার রাজস্ব বাজেট ঘোষণা কর হয়, যা বিশ্ববিদ্যাল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ঘোষিত অন্যান্য বাজেটের চেয়ে কয়েকগু বেশি। প্রস্তাবিত বাজেট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা খাতেই বরাদ্দ সর্বোচ্চ ৪৩ লা টাকা রাখা হয়। গবেষণায় একট বিশ্বমানের পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে ভবিষ্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সমুদ্র ও সামুদ্রি সম্পদ ব্যবস্থাপনা গবেষণ ইনস্টিটিউট’। বিশ্ববিদ্যালয়ে অদূরেই ৮৭৫ একর জায়গায় ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। এ আওতায় রয়েছে একট পরিবেশবান্ধব ও উন্নতমানে ‘ট্যুরিস্ট জোন’ ও ‘ব্লু-ইকোনমি জোন। এখানে বিশাল এলাকা জুড়ে ইকোপার্ক থাকবে। এছাড়া এর ১২ একর জায়গা জুড়ে থাকবে সুবিশাল ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট ও সাফার পার্ক। ওই ইনস্টিটিউট থেকে ত্রি কিলোমিটার দূরে একট অত্যাধুনিক জেটি নির্মাণ কর হবে। যা হবে বিশ্বে প্রথম কোন একক ইনস্টিটিউট যেখান শিক্ষার্থী ও গবেষকরা জন্য সমুদ্র বিজ্ঞান, সামুদ্রিক সম্পদ, ডেল্টা গঠন, এনভায়রনমেন্টাল ইকোলজি এবং মহাকাশ বিষয়সমূহে গবেষণ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-
ছাত্রীদেরকে সময়োপযোগী শিক্ষাদানের পাশাপাশ মনস্তাত্বিক বিকাশ ও শারীরি সক্ষমতা অর্জনের বিষয়টিক অধিক প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শরীরচর্চা ও শিক্ষ বিভাগকে সম্পূর্ণরুপে ঢেল সাজানো হয়েছে। পৃথকভাব ছাত্র-ছাত্রীদের হলসমূহে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন কর হয়ে থাকে। বিদ্যমান সাংস্কৃতি কমিটিগুলোকে উৎসাহিত করে শক্তিশালী করা হয়েছে। যার এখন ক্যাম্পাসে নানাধরনে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠা পরিচালনা করছে। জাতীয় পর্যায় থেকেও নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস প্রতিবারই ‘বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড ও জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট’ এর আয়োজন করা হয়। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে শতভাগ নকলমুক্ত করা হয়েছে। আর মাদক এব সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস গড় তোলার যুগোপযোগী কি কর্মসূচিও হাতে নেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গী কর্মকান্ড- তুলে ধরা ও জনমত গঠন নোবিপ্রবি ‘জনসংযোগ প্রকাশনা’ বিভাগকেও যথাযথ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মযজ্ঞ পূর্বের যেকোনো সময়ে চেয়ে অধিক মিডিয়াবান্ধব (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক) হয়েছে কারণ একটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্ফুটিত হওয়ার জন্য জনসংযোগ ও প্রচারকার্য অতীব প্রয়োজন। এ গুরুত্ব বুঝে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ কেন্দ্রীয়ভাবেই এর পৃষ্ঠপোষকত করছে। সর্বপরি নোবিপ্রবি বাংলাদেশ ও বিশ্বের বুকে অন্যতম একটি স্বতন্ত্র ও আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরতে এখানে বিরামহীন জনসংযোগ কর্মযজ্ঞ চলছে ।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ অহিদুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্র শেখ হাসিনার ঘোষিত একটি উন্নত আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধানমন্ত্রী রুপকল্পের যথাযথ সফল বাস্তবায়নের সঙ্গে সাথী হয়ে লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নোয়াখালী অঞ্চলে নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসন সকলের সমর্থন ও সহযোগীতা পেয়ে আসছি। আমার চার বছরের মেয়াদকালে মধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক ও আত্মমর্যাদা শীল বাংলাদেশের উপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলব এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে এ প্রজন্মে শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
ডোনেট স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আর্ত মানবতার সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান। ডোনেট স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম, সরকার ও রাষ্ট্ররিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোন মন্তব্য না করার জন্য বর্নমালা টেলিভিশনের পাঠক ও সুভাকাঙ্খিদের বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোন ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
পাঠকের মন্তব্য
Advertisement
সম্পাদকীয়

যাহা করিবার এখনই করিতে হইবে

গ্রিনহাউস গ্যাসের জন্য ক্রমশ উত্তপ্ত হইয়া উঠিতেছে এই ধরিত্রী—ইহার স্বপক্ষে প্রকাশ পাইতেছে নিত্যনূতন তথ্য। গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে সবচাইতে বেশি উচ্চারিত নামটি হইল কার্বন ডাই-অক্সাইড। সমপ্রতি... বিস্তারিত
জনমত জরিপ

সংবিধান মোতাবেক নীতিমালা প্রণয়ন করে সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। আপনি কি এ দাবির সঙ্গে একমত?

Loading ... Loading ...
Developed By : Donet IT